১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মেহেরপুর জেলা কারাগারে ২৮২ জন কয়েদি রোজা রাখবেন

পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে চলায় মেহেরপুর জেলা কারাগারে ধর্মীয় অনুশাসন ও সিয়াম পালনকে নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থার ঘোষণা করা হয়েছে। কারাপক্ষ রোজাদার কয়েদিদের সেহরি ও ইফতারের নিশ্চয়তা দিয়েছে এবং তদারকি জোরদার করেছে।

মেহেরপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার আমান উল্লাহ গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় জানিয়েছেন, রমজান মাসের প্রথম দিনে কারাগারের ২৮২ জন মুসলিম কয়েদি রোজা রাখবেন। কারাগারে বর্তমানে মোট ৩০৬ জন কয়েদি থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যগত কারণে ১০ জন এ বছর রোজা রাখবেন না।

জেলাকারা সূত্রে জানা যায়, কারাগারের মোট ধারনক্ষমতা ৩৫০ জন। বর্তমানে সেখানে ২৯৮ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী মিলিয়ে ৩০৬ জন কয়েদি রয়েছেন। মোট কয়েদির মধ্যে ২৯২ জন মুসলিম এবং ১৪ জন অমুসলিম। এছাড়া কারাগারে ৩ জন বিদেশি বন্দিও রয়েছে।

জেল সুপার আমান উল্লাহ জানিয়ে বলেছেন, রোজাদার কয়েদিদের জন্য সেহরি এবং ইফতারের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেহরিতে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম পরিবেশন করা হবে; আর ইফতারে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, খেজুর ও শরবত দেওয়া হবে।

কারাগারে আলাদা রান্নাঘর ও খাবার ব্যবস্থার বন্দোবস্ত রয়েছে। যারা রোজা রাখতে চান, তারা আগের রাতে রোজার তালিকায় নাম দেন। ভোরে সেলের দরজা খুলে সেহরি পরিবেশন করা হয়। এছাড়া উল্কা সময়ে যথাযথ নিরাপত্তা বজায় রেখে মসজিদে বা কারাগারের ভেতরেই তারাবি নামাজের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কারাগারে বরাদ্দকৃত জনবল ৮০ জন থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে কাজে নিয়োজিত আছেন মাত্র ৬৩ জন। জনবল সংকট থাকলেও কয়েদিদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করা কারাগরের অগ্রাধিকার। নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ঝুঁকি নেই এবং রমজান চলাকালে কারাগারের সকল কার্যক্রম নিয়ম মাফিক পরিচালিত হবে বলে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

জেলাশাসনের এই উদ্যোগে কয়েদিরা সিয়াম পালন করে আত্মিক শান্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে, আর কর্তৃপক্ষও তাদের আরাধ্য ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত রাখতে সচেষ্ট থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মেহেরপুর জেলা কারাগারে ২৮২ জন কয়েদি রোজা রাখবেন

প্রকাশিতঃ ০৩:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে চলায় মেহেরপুর জেলা কারাগারে ধর্মীয় অনুশাসন ও সিয়াম পালনকে নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থার ঘোষণা করা হয়েছে। কারাপক্ষ রোজাদার কয়েদিদের সেহরি ও ইফতারের নিশ্চয়তা দিয়েছে এবং তদারকি জোরদার করেছে।

মেহেরপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার আমান উল্লাহ গত বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টায় জানিয়েছেন, রমজান মাসের প্রথম দিনে কারাগারের ২৮২ জন মুসলিম কয়েদি রোজা রাখবেন। কারাগারে বর্তমানে মোট ৩০৬ জন কয়েদি থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্যগত কারণে ১০ জন এ বছর রোজা রাখবেন না।

জেলাকারা সূত্রে জানা যায়, কারাগারের মোট ধারনক্ষমতা ৩৫০ জন। বর্তমানে সেখানে ২৯৮ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী মিলিয়ে ৩০৬ জন কয়েদি রয়েছেন। মোট কয়েদির মধ্যে ২৯২ জন মুসলিম এবং ১৪ জন অমুসলিম। এছাড়া কারাগারে ৩ জন বিদেশি বন্দিও রয়েছে।

জেল সুপার আমান উল্লাহ জানিয়ে বলেছেন, রোজাদার কয়েদিদের জন্য সেহরি এবং ইফতারের বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেহরিতে ভাত, ডাল, সবজি ও ডিম পরিবেশন করা হবে; আর ইফতারে ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, খেজুর ও শরবত দেওয়া হবে।

কারাগারে আলাদা রান্নাঘর ও খাবার ব্যবস্থার বন্দোবস্ত রয়েছে। যারা রোজা রাখতে চান, তারা আগের রাতে রোজার তালিকায় নাম দেন। ভোরে সেলের দরজা খুলে সেহরি পরিবেশন করা হয়। এছাড়া উল্কা সময়ে যথাযথ নিরাপত্তা বজায় রেখে মসজিদে বা কারাগারের ভেতরেই তারাবি নামাজের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কারাগারে বরাদ্দকৃত জনবল ৮০ জন থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে কাজে নিয়োজিত আছেন মাত্র ৬৩ জন। জনবল সংকট থাকলেও কয়েদিদের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করা কারাগরের অগ্রাধিকার। নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ঝুঁকি নেই এবং রমজান চলাকালে কারাগারের সকল কার্যক্রম নিয়ম মাফিক পরিচালিত হবে বলে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

জেলাশাসনের এই উদ্যোগে কয়েদিরা সিয়াম পালন করে আত্মিক শান্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে, আর কর্তৃপক্ষও তাদের আরাধ্য ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত রাখতে সচেষ্ট থাকবে।