০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রতিটি ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে চাই: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমান সময়ে আইসিটি খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর এবং এ 분야 নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নানামুখী ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তিনি এই মন্তব্য করেন শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালেই টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের কথা বলে।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং ইন্টারনেটের সুবিধা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া। তিনি বললেন, “বর্তমান যুগে আইসিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। প্রধানমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা আছে—আমরা অনেক চাকরি তৈরি করতে চাই এবং ইন্টারনেট সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।”

জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও আধুনিকীকরণ এবং পথচারীদের সুবিধার কথাও তিনি তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এবং এমনকি হাইস্পিড গাড়িগুলোতেও ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবস্থা করার জন্য।”

তিনটি বড় টেকপার্কে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো নিয়েও সরকার জোর দিচ্ছে বলে তিনি জানান। বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এবং এ কাজে সরকার ধাপে ধাপে এগোচ্ছে—বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। মন্ত্রী যোগ করেন, “আমরা জনবান্ধব সরকার হতে চাই।”

নিজ জেলা টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও ছিল। তিনি জানান, টাঙ্গাইলের প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের বিষয়ে ভাবা হচ্ছে এবং এলাকায় প্রযুক্তি-ভিত্তিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ চালানো হবে।

এই মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

প্রতিটি ঘরে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে চাই: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী

প্রকাশিতঃ ১১:৩৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বর্তমান সময়ে আইসিটি খাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর এবং এ 분야 নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নানামুখী ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তিনি এই মন্তব্য করেন শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালেই টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের কথা বলে।

মন্ত্রী আরও জানান, সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং ইন্টারনেটের সুবিধা দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়া। তিনি বললেন, “বর্তমান যুগে আইসিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। প্রধানমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা আছে—আমরা অনেক চাকরি তৈরি করতে চাই এবং ইন্টারনেট সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই।”

জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও আধুনিকীকরণ এবং পথচারীদের সুবিধার কথাও তিনি তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এবং এমনকি হাইস্পিড গাড়িগুলোতেও ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবস্থা করার জন্য।”

তিনটি বড় টেকপার্কে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো নিয়েও সরকার জোর দিচ্ছে বলে তিনি জানান। বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এবং এ কাজে সরকার ধাপে ধাপে এগোচ্ছে—বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আকর্ষণে বিশেষ মনোযোগ দেয়া হবে। মন্ত্রী যোগ করেন, “আমরা জনবান্ধব সরকার হতে চাই।”

নিজ জেলা টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও ছিল। তিনি জানান, টাঙ্গাইলের প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের বিষয়ে ভাবা হচ্ছে এবং এলাকায় প্রযুক্তি-ভিত্তিক উন্নয়ন নিয়ে কাজ চালানো হবে।

এই মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।