১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাছ বণ্টনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মানরা গ্রামে মাছ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তাঁর বাড়ির পুকুরঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুর থেকে মাছ ধরার পর অংশীদারদের মধ্যে মাছ বণ্টনকে নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, তার ভাতিজা সিলেট জেলা আদালতের নাজীর আবুল কালাম আজাদ ও অপর অংশীদার হাফিজুল ইসলামের মধ্যে তর্কে উত্তেজনা বাড়ে। একপর্যায়ে আবুল কালাম লাঠি দিয়ে হাফিজুল ইসলামকে পেটান; এতে তার চোখ, গাল, পিঠ ও হাঁটুর ওপর গুরুতর আঘাত লাগায় তিনি রক্তাক্ত হন।

হাফিজুলের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা রক্তপাত বন্ধ করে কাটা জায়গায় সেলাই করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা শহরে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত হাফিজুল ইসলাম একই দিন ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মাছ বণ্টনকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরেই মারধরের ঘটনা ঘটেছে—বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম অভিযোগে নাম জড়ানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনার সময় উভয় পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং মারধরে জড়িত নন।

ভুক্তভোগী হাফিজুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে দাবি করেছেন, নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তাদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন এবং বাড়িতে যাওয়ার পথের ওপর মুরগির ঘর নির্মাণ করে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারার কথা বললে তাদের হুমকি ও শারীরিক হামলার শিকার হতে হয়েছে। তারা দ্রুত নজরুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

স্থানীয় পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেয়া সাথে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাছ বণ্টনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মানরা গ্রামে মাছ ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তাঁর বাড়ির পুকুরঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পুকুর থেকে মাছ ধরার পর অংশীদারদের মধ্যে মাছ বণ্টনকে নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, তার ভাতিজা সিলেট জেলা আদালতের নাজীর আবুল কালাম আজাদ ও অপর অংশীদার হাফিজুল ইসলামের মধ্যে তর্কে উত্তেজনা বাড়ে। একপর্যায়ে আবুল কালাম লাঠি দিয়ে হাফিজুল ইসলামকে পেটান; এতে তার চোখ, গাল, পিঠ ও হাঁটুর ওপর গুরুতর আঘাত লাগায় তিনি রক্তাক্ত হন।

হাফিজুলের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা রক্তপাত বন্ধ করে কাটা জায়গায় সেলাই করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা শহরে প্রেরণ করা হয়েছে।

আহত হাফিজুল ইসলাম একই দিন ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মাছ বণ্টনকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিরোধের জেরেই মারধরের ঘটনা ঘটেছে—বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম অভিযোগে নাম জড়ানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনার সময় উভয় পক্ষকে থামানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং মারধরে জড়িত নন।

ভুক্তভোগী হাফিজুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে দাবি করেছেন, নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তাদের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন এবং বাড়িতে যাওয়ার পথের ওপর মুরগির ঘর নির্মাণ করে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। সম্পত্তির ভাগবাটোয়ারার কথা বললে তাদের হুমকি ও শারীরিক হামলার শিকার হতে হয়েছে। তারা দ্রুত নজরুল ইসলাম ও আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

স্থানীয় পুলিশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেয়া সাথে প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানিয়েছে।