০২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

শফিকুর রহমান চান উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগ

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় দেখতে চান। এ বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে একটি চিঠি দিয়েছেন।

বিবরণ অনুযায়ী, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান তার উপদেষ্টার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন এবং কূটনৈতিক কাজে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিস্তৃত পেশাদার নেটওয়ার্ক রাখেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মাহমুদুল হাসানের যোগাযোগ ও দক্ষতার মাধ্যমে জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দেশের স্বার্থে জোরদার করা সম্ভব হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই পদায়নের ফলে বিরোধীদলীয়দের পররাষ্ট্রনীতি সরকারকে নিয়মিতভাবে উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করতে পারবে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় তা সহায়ক হবে। চিঠিতে তিনি ভূরাজনীতির চলমান পরিবর্তনকে বিবেচনায় রেখে এই প্রস্তাব সরকারের কাছে সুপারিশ করেছেন।

জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান আমিরকে আগেই অবহিত করেছিলেন এবং আমির মৌখিকভাবে চিঠির প্রতি সম্মতিও জানিয়েছেন। তবে মন্ত্রী মর্যাদার বিষয়টিতে জামায়াত আমিরের সম্মতি পুঁজিবদ্ধ নয় বলে সচিব যোগ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীর পর্যায়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া ও সমন্বয়ের বিষয়গুলো এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শফিকুর রহমান চান উপদেষ্টা মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর মর্যাদায় নিয়োগ

প্রকাশিতঃ ০৭:২৬:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় দেখতে চান। এ বিষয়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে একটি চিঠি দিয়েছেন।

বিবরণ অনুযায়ী, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিরোধীদলীয় নেতার দপ্তর থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ওই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান তার উপদেষ্টার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে যাচ্ছেন এবং কূটনৈতিক কাজে সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিস্তৃত পেশাদার নেটওয়ার্ক রাখেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মাহমুদুল হাসানের যোগাযোগ ও দক্ষতার মাধ্যমে জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ, আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ এশিয়া, আফ্রিকা, ওশেনিয়া, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে দেশের স্বার্থে জোরদার করা সম্ভব হয়েছে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই পদায়নের ফলে বিরোধীদলীয়দের পররাষ্ট্রনীতি সরকারকে নিয়মিতভাবে উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করতে পারবে এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষায় তা সহায়ক হবে। চিঠিতে তিনি ভূরাজনীতির চলমান পরিবর্তনকে বিবেচনায় রেখে এই প্রস্তাব সরকারের কাছে সুপারিশ করেছেন।

জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমানের একান্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এ বিষয়ে মাহমুদুল হাসান আমিরকে আগেই অবহিত করেছিলেন এবং আমির মৌখিকভাবে চিঠির প্রতি সম্মতিও জানিয়েছেন। তবে মন্ত্রী মর্যাদার বিষয়টিতে জামায়াত আমিরের সম্মতি পুঁজিবদ্ধ নয় বলে সচিব যোগ করেছেন।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীর পর্যায়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগের প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া ও সমন্বয়ের বিষয়গুলো এখনও চূড়ান্ত হয়নি।