০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ৯ বগি, অর্ধশতাধিক আহত

বগুড়া — ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর সওয়া ২টার দিকে বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহার জংশনের মাঝামাঝি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এতে ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে এবং অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এখনও মারা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ও রেল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনার স্থানে রেললাইনের মেরামত কাজ চলছিল এবং সেখানে লাল পতাকা রাখা ছিল। সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, মেরামত সত্ত্বেও ট্রেন চালক লাল পতাকা লক্ষ্য না করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। তিনি জানান, উদ্ধার কাজ চলছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

জুনিয়র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান বলেন, লাইনে মেরামত চলছিল ও লাল পতাকা টাঙানো ছিল; তবে ট্রেনের ইঞ্জিনে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় চালকের জন্য লাল পতাকা দেখা যায়নি, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে এবং কিছু রোগীকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে। উদ্ধারকারী ট্রেন ঈশ্বরদী জংশন থেকে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

রেল কর্মকর্তারা বলছেন, ঘটনার জায়গা সিঙ্গেল লাইনের হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা পর্যন্ত রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বগুড়া স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাজেদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

অফিসাররা বলছেন, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হবে। উদ্ধার ও সুরক্ষা কাজ অব্যাহত আছে এবং আহতদের দেখভাল ও ট্রেন সরানোর কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বগুড়ায় নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ৯ বগি, অর্ধশতাধিক আহত

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

বগুড়া — ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর সওয়া ২টার দিকে বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহার জংশনের মাঝামাঝি এলাকায় লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এতে ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে এবং অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন। এখনও মারা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের ও রেল কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, দুর্ঘটনার স্থানে রেললাইনের মেরামত কাজ চলছিল এবং সেখানে লাল পতাকা রাখা ছিল। সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, মেরামত সত্ত্বেও ট্রেন চালক লাল পতাকা লক্ষ্য না করায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, সান্তাহার স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কিছু সময় পরেই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। তিনি জানান, উদ্ধার কাজ চলছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর নেই।

জুনিয়র ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হাবিবুর রহমান বলেন, লাইনে মেরামত চলছিল ও লাল পতাকা টাঙানো ছিল; তবে ট্রেনের ইঞ্জিনে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় চালকের জন্য লাল পতাকা দেখা যায়নি, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে এবং কিছু রোগীকে নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজে অংশ নিচ্ছে। উদ্ধারকারী ট্রেন ঈশ্বরদী জংশন থেকে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

রেল কর্মকর্তারা বলছেন, ঘটনার জায়গা সিঙ্গেল লাইনের হওয়ায় ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলা পর্যন্ত রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। বগুড়া স্টেশনের স্টেশন মাস্টার সাজেদুর রহমান জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।

অফিসাররা বলছেন, দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদনে বলা হবে। উদ্ধার ও সুরক্ষা কাজ অব্যাহত আছে এবং আহতদের দেখভাল ও ট্রেন সরানোর কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।