১২:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নওগাঁ-ঝিনাইদহে বজ্রপাতে তিন কৃষক নিহত, অন্তত সাতজন আহত

শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নওগাঁ ও ঝিনাইদহে পৃথক বজ্রপাতে তিনজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

নওগাঁর পত্নীতলা থানার শিহারা ইউনিয়নের তেপুকুরিয়া ফসলের মাঠে সকালে পাঁচজন কৃষক কাজ করছিলেন। তখন হঠাৎ বজ্রপাত হলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে শীতল গ্রামের মৃত আয়নাল হকের ছেলে আশরাফ আলীর মৃত্যু হয়। আশরাফ ছাড়াও ওই ঘটনায় আরও চারজন আহত রয়েছেন। পত্নীতলা থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, মাঠে গম কাটা চলাকালে বজ্রপাতে আশরাফের মৃত্যু হয়েছে; আহতদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের খড়িবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর গ্রামে একই সময় বজ্রপাতে আরও двি কৃষক প্রাণ হারান। শৈলকুপার খড়িবাড়িয়ার সুশিল বিশ্বাসের ছেলে সমির বিশ্বাস (৪০) এবং লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাস (২২) দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সমির তার বাবার সঙ্গে পেঁয়াজ তুলছিলেন এবং পাশের ক্ষেতে অপু ও আরও কয়েকজন কাজ করছিলেন; বজ্রপাত শুনে তারা গুরুতর আহত হন।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. এহেতাম শহীদ বলেন, আহতদের বেলা ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালে আনা হয়; চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ১২টা ২০ মিনিটে সমির ও অপু মারা যান। বাকি আহতদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।

শৈলকুপা থানার ওসি মো. হুমাইন কবির জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে প্রাথমিকভাবে দুটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। স্থানীয়রা বলছেন, গত রাত থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল ও ঝড়ো হাওয়া বইছিল, যা বজ্রঝড়ের কারণ হয়ে থাকতে পারে।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মৃতদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে এবং আহতদের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। অন্যদিকে জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা ও মাঠে কাজ করার সময় নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নওগাঁ-ঝিনাইদহে বজ্রপাতে তিন কৃষক নিহত, অন্তত সাতজন আহত

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

শনিবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নওগাঁ ও ঝিনাইদহে পৃথক বজ্রপাতে তিনজন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

নওগাঁর পত্নীতলা থানার শিহারা ইউনিয়নের তেপুকুরিয়া ফসলের মাঠে সকালে পাঁচজন কৃষক কাজ করছিলেন। তখন হঠাৎ বজ্রপাত হলে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাপাহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে শীতল গ্রামের মৃত আয়নাল হকের ছেলে আশরাফ আলীর মৃত্যু হয়। আশরাফ ছাড়াও ওই ঘটনায় আরও চারজন আহত রয়েছেন। পত্নীতলা থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, মাঠে গম কাটা চলাকালে বজ্রপাতে আশরাফের মৃত্যু হয়েছে; আহতদের মধ্যে কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের খড়িবাড়িয়া ও লক্ষ্মীপুর গ্রামে একই সময় বজ্রপাতে আরও двি কৃষক প্রাণ হারান। শৈলকুপার খড়িবাড়িয়ার সুশিল বিশ্বাসের ছেলে সমির বিশ্বাস (৪০) এবং লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রকাশ বিশ্বাসের ছেলে অপু বিশ্বাস (২২) দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সমির তার বাবার সঙ্গে পেঁয়াজ তুলছিলেন এবং পাশের ক্ষেতে অপু ও আরও কয়েকজন কাজ করছিলেন; বজ্রপাত শুনে তারা গুরুতর আহত হন।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. এহেতাম শহীদ বলেন, আহতদের বেলা ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে হাসপাতালে আনা হয়; চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রায় ১২টা ২০ মিনিটে সমির ও অপু মারা যান। বাকি আহতদের মধ্যে দুজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে।

শৈলকুপা থানার ওসি মো. হুমাইন কবির জানিয়েছেন, ঘটনাটি নিয়ে প্রাথমিকভাবে দুটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে। স্থানীয়রা বলছেন, গত রাত থেকেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল ও ঝড়ো হাওয়া বইছিল, যা বজ্রঝড়ের কারণ হয়ে থাকতে পারে।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মৃতদের পরিবারকে সহযোগিতা করতে এবং আহতদের সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন। অন্যদিকে জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা ও মাঠে কাজ করার সময় নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয়রা।