০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ইউনিভার্সিটি নেতার মাদকসদৃশ ছবি ভাইরাল, মুবাশ্বির বললেন ‘অভিনয়’, থানায় জিডি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিনের একটি মাদকসদৃশ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনা দেখা দিয়েছে। মুবাশ্বির তা অস্বীকার করে বলেছেন, ছবিটি বন্ধুদের সঙ্গে করা একটি অভিনয়ের দৃশ্য — এটি মাদকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুবাশ্বিরের এক ভিডিও ছাড়াও তার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান হাফিজ একটি ছবির কমেন্টে সেটি শেয়ার করেন। ছবিতে মুবাশ্বিরের মুখে মাদক সেবনের মতো একটি বস্তু, হাতে লাইটার ও কাগজ দেখা গেছে। হাফিজের দেওয়া ক্যাপশনে গানশৈলীর ভাষায় সতর্কতা ও হুমকিসমৎ মন্তব্যও ছিল।

ঘটনায় বিবাদী হিসেবে নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভয়ভীতির অভিযোগ তুলে মুবাশ্বির ইবি থানায় জিডি করেন। জিডিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সাবেক ছাত্রলীগের সদস্যরা। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২৬ এপ্রিল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে মুবাশ্বির বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে কুতুক্তিপূর্ণ মন্তব্য, প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানিমূলক পোস্ট দেখতে পান। জিডিতে তিনজনের নাম উল্লেখ করে তাদের ওই আচরণের বর্ণনা রাখা হয়েছে।

মুবাশ্বির আমিন জানান, ‘‘এই ছবি ২০২৩ সালের শেষ দিকে দ্বিতীয় বর্ষ পড়াকালীন শহীদ জিয়া হলে উপস্থিত একটি অভিনয়ের দৃশ্য থেকে তোলা। তা বিকৃতভাবে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। এটি মাদকসংক্রান্ত কোনো বিষয় নয়, বরং র‍্যাগিং সংস্কৃতির অংশ হিসেবে করা একটি নকশা-অভিনয়। অতীতে এ ছবি দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা হয়েছে। আমি বিষয়টি প্রক্টরের নিকট জানাব এবং থানায় গিয়েই জিডি করেছি।’’

ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, ‘‘শিক্ষার্থী জিডি করেছে, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ঘটনার তদন্ত করব। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

ঘটনা ঘিরে ক্যাম্পাসে সমর্থক ও সমালোচক উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও তদন্তকারী সংস্থা উভয় পক্ষই তথ্য যাচাইয়ের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ইউনিভার্সিটি নেতার মাদকসদৃশ ছবি ভাইরাল, মুবাশ্বির বললেন ‘অভিনয়’, থানায় জিডি

প্রকাশিতঃ ১০:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিনের একটি মাদকসদৃশ ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ক্যাম্পাসে তীব্র সমালোচনা দেখা দিয়েছে। মুবাশ্বির তা অস্বীকার করে বলেছেন, ছবিটি বন্ধুদের সঙ্গে করা একটি অভিনয়ের দৃশ্য — এটি মাদকের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মুবাশ্বিরের এক ভিডিও ছাড়াও তার বিভিন্ন ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান হাফিজ একটি ছবির কমেন্টে সেটি শেয়ার করেন। ছবিতে মুবাশ্বিরের মুখে মাদক সেবনের মতো একটি বস্তু, হাতে লাইটার ও কাগজ দেখা গেছে। হাফিজের দেওয়া ক্যাপশনে গানশৈলীর ভাষায় সতর্কতা ও হুমকিসমৎ মন্তব্যও ছিল।

ঘটনায় বিবাদী হিসেবে নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভয়ভীতির অভিযোগ তুলে মুবাশ্বির ইবি থানায় জিডি করেন। জিডিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও সাবেক ছাত্রলীগের সদস্যরা। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ২৬ এপ্রিল দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থানকালে মুবাশ্বির বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে তার বিরুদ্ধে কুতুক্তিপূর্ণ মন্তব্য, প্রাণনাশের হুমকি ও হয়রানিমূলক পোস্ট দেখতে পান। জিডিতে তিনজনের নাম উল্লেখ করে তাদের ওই আচরণের বর্ণনা রাখা হয়েছে।

মুবাশ্বির আমিন জানান, ‘‘এই ছবি ২০২৩ সালের শেষ দিকে দ্বিতীয় বর্ষ পড়াকালীন শহীদ জিয়া হলে উপস্থিত একটি অভিনয়ের দৃশ্য থেকে তোলা। তা বিকৃতভাবে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারণা করা হচ্ছে। এটি মাদকসংক্রান্ত কোনো বিষয় নয়, বরং র‍্যাগিং সংস্কৃতির অংশ হিসেবে করা একটি নকশা-অভিনয়। অতীতে এ ছবি দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা হয়েছে। আমি বিষয়টি প্রক্টরের নিকট জানাব এবং থানায় গিয়েই জিডি করেছি।’’

ইবি থানার ওসি মাসুদ রানা বলেন, ‘‘শিক্ষার্থী জিডি করেছে, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ঘটনার তদন্ত করব। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

ঘটনা ঘিরে ক্যাম্পাসে সমর্থক ও সমালোচক উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও তদন্তকারী সংস্থা উভয় পক্ষই তথ্য যাচাইয়ের পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে।