০৬:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাস বিশেষ খাদ্য সহায়তা ঘোষণা করলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়া কৃষকদের ক্ষতি পূরণে সরকার তিন মাস বিশেষ খাদ্য সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মহান মে দিবস উপলক্ষে শুক্রবার যশোর জেলা প্রশাসন আয়োজিত র‍্যালি ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে কৃষক ও শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাদের দুর্দশা দূর করতে সরকার কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালু করে শ্রমজীবী পরিবারগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, “সরকার কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের পরিবারে আরও সচ্ছলতা আনার চেষ্টা করছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগকে সরাসরি স্মরণ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্ঠানে যারা শাহাদাতবরণ করেছেন, তাদের অধিকাংশই শ্রমিক। তাই আমাদের অঙ্গীকার—শ্রমিকদের কাজ ফিরিয়ে দেওয়া, কর্মসংস্থানের সংকট মোকাবিলা এবং বন্ধ সরকারি কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর মাধ্যমে তাদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করা।” তিনি ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

সমাবেশের শুরুতেই প্রতিমন্ত্রী বেলুন এবং ফেস্টুন উড়িয়ে মহান মে দিবসের শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। র‍্যালিটি যশোরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য তিন মাস বিশেষ খাদ্য সহায়তা ঘোষণা করলেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

প্রকাশিতঃ ১০:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টিতে ফসল নষ্ট হওয়া কৃষকদের ক্ষতি পূরণে সরকার তিন মাস বিশেষ খাদ্য সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। মহান মে দিবস উপলক্ষে শুক্রবার যশোর জেলা প্রশাসন আয়োজিত র‍্যালি ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে কৃষক ও শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। তাদের দুর্দশা দূর করতে সরকার কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড চালু করে শ্রমজীবী পরিবারগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষকদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন, “সরকার কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে শ্রমিকদের পরিবারে আরও সচ্ছলতা আনার চেষ্টা করছে। কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের আত্মত্যাগকে সরাসরি স্মরণ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্ঠানে যারা শাহাদাতবরণ করেছেন, তাদের অধিকাংশই শ্রমিক। তাই আমাদের অঙ্গীকার—শ্রমিকদের কাজ ফিরিয়ে দেওয়া, কর্মসংস্থানের সংকট মোকাবিলা এবং বন্ধ সরকারি কলকারখানাগুলো পুনরায় চালুর মাধ্যমে তাদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করা।” তিনি ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতেও সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।

সমাবেশের শুরুতেই প্রতিমন্ত্রী বেলুন এবং ফেস্টুন উড়িয়ে মহান মে দিবসের শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন। র‍্যালিটি যশোরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।