১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশ সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট নারীর ক্ষমতায়ন এবং কন্যা শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের রিজভী: দিল্লিকে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করতে হবে হামে মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে পরিবারপ্রতি ২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট রিজভী: দিল্লিকে সীমান্তে রক্তপাত বন্ধ করার আহ্বান ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: সড়ক, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনীতিতেও গণতন্ত্র প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ’ প্রতিপাদ্যে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিকল্পনা কমিশন অনুমোদন দিল ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি শিল্পমন্ত্রী: বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল দ্রুত পুনঃচালুর দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নতুন সংগ্রামে নামার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ করেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য সকলকে সহযোগিতা ও সমন্বয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেছেন, দলের এক যুদ্ধ শেষ হয়েছে; এখন শুরু হচ্ছে নতুন এক লড়াই — মানুষের কাছে করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের ভাষ্য রাখা হয়।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলের নেতারা মাঠে নেমে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি প্রত্যেকের ত্যাগ ও আবেগের প্রশংসা করে বলেন, ‘‘নির্বাচন কঠিন ছিল—আপনারা প্রত্যেকেই তা অনুভব করেছেন। মানুষের ভোট আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের পক্ষে গিয়েছে।’’

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ছিল তা এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের পর, বিশেষ করে সরকার গঠিত হওয়ার পর, ম্যানিফেস্টো এখন সরকারের এবং দেশের মানুষের ইশতেহার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ভোটারদের প্রায় ৫২ শতাংশ আমাদের ম্যানিফেস্টোর পক্ষে ভোট দিয়েছে; তাই সেখানে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্রস্তাবকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুগুলো ছিল—সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ, নারী-পুরুষ ও শিশুরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে এমন একটি সমাজ—এসব দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে তারা যে অত্যাচার, নিপীড়ন ও গুম-খুনের কথা বলেছিলেন, সেসব ভুলে গেলে চলবে না। যাতে রাজনৈতিক পর্যায়ে মুক্ত ও সুশৃঙ্খল বিতর্কের পরিবেশ থাকে, সেই লক্ষ্যে কাজ চালাতে হবে।

তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, ‘‘অবশ্যই সরকার আছে, কিন্তু এটি একটি বিএনপি সরকার।’’ তাই বিএনপির সহযোগিতা ও সমন্বয় না থাকলে সরকারের অনেক কর্মসূচি সফল হবেন না।

মতবিনিময় সভা সকাল পৌনে ১১টায় শুরু হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভার সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন সহ অন্যান্য নেতারা।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্থানীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম মতবিনিময় সভা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নারীর ক্ষমতায়ন এবং কন্যা শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোরালো আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নতুন সংগ্রামে নামার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিতঃ ০২:২৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি অনুরোধ করেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য সকলকে সহযোগিতা ও সমন্বয়ে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেছেন, দলের এক যুদ্ধ শেষ হয়েছে; এখন শুরু হচ্ছে নতুন এক লড়াই — মানুষের কাছে করা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।

শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর এসব বক্তব্যের ভাষ্য রাখা হয়।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দলের নেতারা মাঠে নেমে কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি প্রত্যেকের ত্যাগ ও আবেগের প্রশংসা করে বলেন, ‘‘নির্বাচন কঠিন ছিল—আপনারা প্রত্যেকেই তা অনুভব করেছেন। মানুষের ভোট আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারের পক্ষে গিয়েছে।’’

তারেক রহমান উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ছিল তা এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। নির্বাচনের পর, বিশেষ করে সরকার গঠিত হওয়ার পর, ম্যানিফেস্টো এখন সরকারের এবং দেশের মানুষের ইশতেহার হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের ভোটারদের প্রায় ৫২ শতাংশ আমাদের ম্যানিফেস্টোর পক্ষে ভোট দিয়েছে; তাই সেখানে অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি প্রস্তাবকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুগুলো ছিল—সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ, নারী-পুরুষ ও শিশুরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবে এমন একটি সমাজ—এসব দ্রুত ও দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলাকালে তারা যে অত্যাচার, নিপীড়ন ও গুম-খুনের কথা বলেছিলেন, সেসব ভুলে গেলে চলবে না। যাতে রাজনৈতিক পর্যায়ে মুক্ত ও সুশৃঙ্খল বিতর্কের পরিবেশ থাকে, সেই লক্ষ্যে কাজ চালাতে হবে।

তারেক রহমান জোর দিয়ে বলেন, ‘‘অবশ্যই সরকার আছে, কিন্তু এটি একটি বিএনপি সরকার।’’ তাই বিএনপির সহযোগিতা ও সমন্বয় না থাকলে সরকারের অনেক কর্মসূচি সফল হবেন না।

মতবিনিময় সভা সকাল পৌনে ১১টায় শুরু হয়। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভার সভাপতিত্ব করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন সহ অন্যান্য নেতারা।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে স্থানীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর এটাই প্রথম মতবিনিময় সভা।