০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সিরাজগঞ্জে মহিষের পিঠে চড়ে বাড়ি ফিরলেন এক কৃষক

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

আধুনিকায়নের ছোঁয়ায় গ্রামবাংলার অনেক ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তপ্রায়। তবু সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের বেরখালি এলাকায় সম্প্রতি এমনই একটি মনোগ্রাহী দৃশ্য দেখা গেছে—মাঠের কাজ সারার পর এক কৃষক মহিষের পিঠে চড়ে ধীরস্থিরভাবে বাড়ির পথে চলেছেন।

বিকেলের সোনাঝরা রোদে সবুজ প্রান্তর পেরিয়ে যখন তিনি ও তাঁর শান্ত মহিষটি ধীর পদক্ষেপে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশ জুড়ে যেন এক অদ্ভুত প্রশান্তি বিরাজ করছিল। পথচারী ও গ্রামের মানুষজনও থেমে দেখছিলেন, এই সাধারণ অভিযোগাতেই অনেকেরই শৈশবের স্মৃতি জেগে উঠেছিল।

স্থানীয়রা বলেন, আজকাল ট্রাক্টর, পাওয়ার টিলারসহ নানা আধুনিক যন্ত্রের কারণে লাঙল-জোয়াল ও গবাদিপশু সাধারণত ফেলে দেওয়া হয়; তাই এমন দৃশ্য এখন বিরল। এক সময়ে এখানকার প্রায় প্রতিটি ঘরে মহিষ কিংবা গরু থাকত, তারা ধান-কাঠি তুলত, কৃষিজমিতে কাজ করত এবং চলাচলের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহার হত। তবু বেরখালির এই দৃশ্য প্রমাণ করে—শত আধুনিকতার মাঝেও গ্রামজীবনের সেই শেকড় আর ঐতিহ্য কতোটা জীবন্তভাবে রয়ে গেছে।

এটি কেবলই এক কৃষকের অদ্ভুত পথচলা নয়; বরং শান্ত-স্নিগ্ধ বাংলার এক ক্ষুদ্র কিন্তু শক্তসমর্থ প্রতীক, যা দেখতে পেলে অনেকে মুহূর্তের জন্যই অতীতের মেলবন্ধনে হারিয়ে যান।