০৭:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পদ্মার চরে গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত; লাশ ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার

নাটোরের লালপুরে, রাজশাহী বাঘা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সংযোগস্থলে অবস্থিত পদ্মার চরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে; এতে আজিজুল হক (৩৫) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার চরজাজিরা এলাকার পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি নীল-সবুজ রঙের স্পিডবোট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আজিজুল হক বা পরিচিতি ‘ঝড়’ নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আবদুল শেখ ও হাসিনা বেগম দম্পতির ছেলে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী তিনি কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত ‘কাকন বাহিনী’-এর সদস্য ছিলেন। ওই চরে আধিপত্য নিয়াই গত অক্টোবর থেকে চলমান সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার স্থান তিন জেলার তিন উপজেলার সংযোগস্থল হওয়ায় কীভাবে এবং কোন থানায় মামলা হবে—এ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। যেহেতু লাশটি পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাই লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করবে। তবে মামলার আনুষ্ঠানিকতা লালপুর থানারই মাধ্যমে করা হবে বলেও তিনি জানান।

থানার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়দের নজরে পড়ে চরজাজিরা এলাকার পদ্মা নদীতে একটি নীল-সবুজ স্পিডবোট ভাসমান অবস্থায়। ভেতরে লাল রঙের ছাউনি থাকা ওই স্পিডবোটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। খবর পেয়ে বিকেলে সাড়ে তিনটায় লালপুর থানা ও লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশের সদস্যরা গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, চরে নিয়মিত সংঘর্ষ ও আধিপত্য রশিদির কারণে গ্রামের মানুষজন নিরাপদ থাকার মত নেই এবং পুলিশি তৎপরতার দ্রুততা বাড়ানোর দাবি করছেন। বর্তমানে নৌপুলিশ ও স্থানীয় তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল ও ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পদ্মার চরে গুলিবিদ্ধ যুবক নিহত; লাশ ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

নাটোরের লালপুরে, রাজশাহী বাঘা ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার সংযোগস্থলে অবস্থিত পদ্মার চরে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে; এতে আজিজুল হক (৩৫) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লালপুর থানার চরজাজিরা এলাকার পদ্মা নদীতে ভাসমান একটি নীল-সবুজ রঙের স্পিডবোট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আজিজুল হক বা পরিচিতি ‘ঝড়’ নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার পাবনাপাড়া গ্রামের আবদুল শেখ ও হাসিনা বেগম দম্পতির ছেলে। স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী তিনি কুষ্টিয়ার বহুল আলোচিত ‘কাকন বাহিনী’-এর সদস্য ছিলেন। ওই চরে আধিপত্য নিয়াই গত অক্টোবর থেকে চলমান সংঘর্ষে এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার স্থান তিন জেলার তিন উপজেলার সংযোগস্থল হওয়ায় কীভাবে এবং কোন থানায় মামলা হবে—এ নিয়ে জটিলতা রয়েছে। যেহেতু লাশটি পদ্মা নদীতে ভাসমান স্পিডবোট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে, তাই লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করবে। তবে মামলার আনুষ্ঠানিকতা লালপুর থানারই মাধ্যমে করা হবে বলেও তিনি জানান।

থানার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে স্থানীয়দের নজরে পড়ে চরজাজিরা এলাকার পদ্মা নদীতে একটি নীল-সবুজ স্পিডবোট ভাসমান অবস্থায়। ভেতরে লাল রঙের ছাউনি থাকা ওই স্পিডবোটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। খবর পেয়ে বিকেলে সাড়ে তিনটায় লালপুর থানা ও লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ পুলিশের সদস্যরা গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা বলছেন, চরে নিয়মিত সংঘর্ষ ও আধিপত্য রশিদির কারণে গ্রামের মানুষজন নিরাপদ থাকার মত নেই এবং পুলিশি তৎপরতার দ্রুততা বাড়ানোর দাবি করছেন। বর্তমানে নৌপুলিশ ও স্থানীয় তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল ও ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছেন।