০৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

ফতুল্লায় সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ, ৩ গ্রেফতার; পুলিশের ওপর হামলায় ৫ আহত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ করে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করার সময় তাদের সহযোগীরা পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়ে গুলি ছোড়ায়। ঘটনায় পুলিশসহ পাঁচজন আহত হন এবং উত্তেজনার পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাতে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ফতুলা মডেল থানা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন থানা পরিদর্শক (তদন্ত) এসআই নন্দন সরকার।

অভিযানে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা এবং ফাইটার মনির নামে পরিচিত মনির (৩৮), নাঈম (২৮) ও মাসুম (২৪) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারীর খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মনিরের সহযোগী মাদক ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের ছাড়াতে পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রায় ১০-১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে পুলিশ শটগান থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার এক পর্যায়ে হামলাকারীদের ছোড়া গুলিতে গ্রেফতারকৃত ফাইটার মনিরের পায়ে গুলি লাগে।

হামলায় এসআই নন্দন সরকার, এসআই মনির, এএসআই কামরুল হাসান, এএসআই মনির হোসাইন এবং কনস্টেবল আশিক আহত হন। তাদের খানপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বলছে, আহতদের মধ্যে কেউ গুলিবিদ্ধ হয়নি; তবে সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ফতুলা মডেল থানা পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযানে বড় পরিমাণ গাঁজা জব্দ হওয়ার পরে মাদক সিন্ডিকেট তাদের সহযোগীদের ছাড়া দিতে চেষ্টা করে এবং ওই সময়েই সংঘর্ষ ও গুলিবিনিময় ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনায় হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে ঘটনার প্রমাণাদি সংগ্রহ করে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ও হামলায় অংশ নেওয়া অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

ফতুল্লায় সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ, ৩ গ্রেফতার; পুলিশের ওপর হামলায় ৫ আহত

প্রকাশিতঃ ০৭:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা জব্দ করে তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করার সময় তাদের সহযোগীরা পুলিশের উপর আক্রমণ চালিয়ে গুলি ছোড়ায়। ঘটনায় পুলিশসহ পাঁচজন আহত হন এবং উত্তেজনার পরে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দিবাগত রাতে ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ফতুলা মডেল থানা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন থানা পরিদর্শক (তদন্ত) এসআই নন্দন সরকার।

অভিযানে সাড়ে ১৫ কেজি গাঁজা এবং ফাইটার মনির নামে পরিচিত মনির (৩৮), নাঈম (২৮) ও মাসুম (২৪) নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে একাধিক মাদকের মামলা রয়েছে।

গ্রেফতারীর খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মনিরের সহযোগী মাদক ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে এসে তাদের ছাড়াতে পুলিশের ওপর সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রায় ১০-১২ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় আত্মরক্ষার উদ্দেশ্যে পুলিশ শটগান থেকে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার এক পর্যায়ে হামলাকারীদের ছোড়া গুলিতে গ্রেফতারকৃত ফাইটার মনিরের পায়ে গুলি লাগে।

হামলায় এসআই নন্দন সরকার, এসআই মনির, এএসআই কামরুল হাসান, এএসআই মনির হোসাইন এবং কনস্টেবল আশিক আহত হন। তাদের খানপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ বলছে, আহতদের মধ্যে কেউ গুলিবিদ্ধ হয়নি; তবে সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

ফতুলা মডেল থানা পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, অভিযানে বড় পরিমাণ গাঁজা জব্দ হওয়ার পরে মাদক সিন্ডিকেট তাদের সহযোগীদের ছাড়া দিতে চেষ্টা করে এবং ওই সময়েই সংঘর্ষ ও গুলিবিনিময় ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনায় হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। বর্তমানে ঘটনার প্রমাণাদি সংগ্রহ করে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ও হামলায় অংশ নেওয়া অন্যান্যদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।