০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পিরোজপুরে মাদকবিরোধী কর্মশালায় ইউএনওর ‘জিরো টলারেন্স’ আহ্বান

পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পিরোজপুর কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ। তিনি বক্তৃতায় বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তির নৈতিক ও শারীরিক ক্ষতি করে না, এটি পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিস্তার রোধে জিরো টলারেন্স নীতিই গ্রহণ করতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমাদের লক্ষ্য হবে কোনো অবস্থাতেই কোনো জায়গায় মাদকের উপস্থিতি থাকবে না।’

ইউএনও আরও জানান, বিশেষ করে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের কাছে সিগারেট বা কোনো মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হলে তা কঠোরভাবে আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। মাদকের ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন সবসময় তৎপর থাকবে। তিনি তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে মাদক থেকে দূরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক আহমেদ এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার। কর্মশালার সঞ্চালনা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বাপন সেন।

বক্তারা মাদককে সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আখ্যায়িত করে পরিবারের সদস্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় সংগঠন ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। সভায় মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

যোগী প্রতিনিধিদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন এবং স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী উদ্যোগ জোরদারের ব্যাপারে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পিরোজপুরে মাদকবিরোধী কর্মশালায় ইউএনওর ‘জিরো টলারেন্স’ আহ্বান

প্রকাশিতঃ ০২:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক কর্মশালায় মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পিরোজপুর কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ। তিনি বক্তৃতায় বলেন, মাদক কেবল একজন ব্যক্তির নৈতিক ও শারীরিক ক্ষতি করে না, এটি পুরো পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিস্তার রোধে জিরো টলারেন্স নীতিই গ্রহণ করতে হবে। তার ভাষায়, ‘আমাদের লক্ষ্য হবে কোনো অবস্থাতেই কোনো জায়গায় মাদকের উপস্থিতি থাকবে না।’

ইউএনও আরও জানান, বিশেষ করে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের কাছে সিগারেট বা কোনো মাদকদ্রব্য বিক্রি করা হলে তা কঠোরভাবে আইনি ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। মাদকের ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করতে প্রশাসন সবসময় তৎপর থাকবে। তিনি তরুণদের খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করে মাদক থেকে দূরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইশতিয়াক আহমেদ এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার। কর্মশালার সঞ্চালনা করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বাপন সেন।

বক্তারা মাদককে সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি হিসেবে আখ্যায়িত করে পরিবারের সদস্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় সংগঠন ও গণমাধ্যমকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। সভায় মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

যোগী প্রতিনিধিদের মধ্যে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন এবং স্থানীয়ভাবে মাদকবিরোধী উদ্যোগ জোরদারের ব্যাপারে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।