০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার, ১৯ জুন, দুপুরে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও দীর্ঘদিনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যার ফলে শেষ ক’টা মাস তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশ নাজুক ছিল।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান নজিরবিহীন। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’, ‘যুদ্ধ নাস্তি’—এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থগুলোর রচয়িতা ছিলেন তিনি। সাহিত্যে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননা পেয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ছাপ বাংলা সাহিত্যে গভীরভাবে রয়ে গেছে। সাহিত্যজনদের মধ্যে শোকক্লেশ দেখা দিয়েছে এবং তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি ও মুক্তিযোদ্ধা আল মুজাহিদী আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার, ১৯ জুন, দুপুরে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই তিনি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত জটিলতা ও দীর্ঘদিনের হৃদরোগে ভুগছিলেন, যার ফলে শেষ ক’টা মাস তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বেশ নাজুক ছিল।

কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান নজিরবিহীন। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’, ‘যুদ্ধ নাস্তি’—এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থগুলোর রচয়িতা ছিলেন তিনি। সাহিত্যে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননা পেয়েছেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অংশগ্রহণ ও সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ছাপ বাংলা সাহিত্যে গভীরভাবে রয়ে গেছে। সাহিত্যজনদের মধ্যে শোকক্লেশ দেখা দিয়েছে এবং তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।