০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন থেকে জীবিত কন্যা নবজাতক উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিনের পাশে এক কন্যা নবজাতক জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া; তার নড়ি না কাটা ছিল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে আনুমানিক ১টার দিকে একজন আয়া ময়লার স্তূপের কাছ থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে কর্তব্যরত নার্সদের খবর দেন। নার্সরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে ময়লার স্তূপের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশু কান্না করছিল এবং খুব ক্ষুধার্ত বলে মনে হচ্ছিল।

শিশুটির মাথায় কিছুটা চোট লক্ষ্য করা যায় এবং মুখে পোকামাকড় ও মশার কামড়ের দাগ ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে শিশুটি কিছুক্ষণ আগেই পৃথিবীতে এসেছে এবং কাছেই কোনো ক্লিনিক বা ঘর থেকে এখানে ফেলে আনা হতে পারে। তবে কী কারণে বা কে শিশুটিকে ফেলে গেছে, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, উদ্ধার করে শিশুটিকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে; বর্তমানে শিশুটি আশঙ্কামুক্ত আছে।

খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি বলেন, “আমি নিজেও একজন মা। খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেলাম। শিশুটির সুরক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

ময়লার স্তূপে নবজাতক ফেলে রাখার খবরটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। অন্যদিকে শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে কয়েকজন ইতিমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেছেন। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিন থেকে জীবিত কন্যা নবজাতক উদ্ধার

প্রকাশিতঃ ১০:৩৮:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাস্টবিনের পাশে এক কন্যা নবজাতক জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে শিশুটি সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া; তার নড়ি না কাটা ছিল।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে আনুমানিক ১টার দিকে একজন আয়া ময়লার স্তূপের কাছ থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পেয়ে কর্তব্যরত নার্সদের খবর দেন। নার্সরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলে ময়লার স্তূপের পাশ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় শিশু কান্না করছিল এবং খুব ক্ষুধার্ত বলে মনে হচ্ছিল।

শিশুটির মাথায় কিছুটা চোট লক্ষ্য করা যায় এবং মুখে পোকামাকড় ও মশার কামড়ের দাগ ছিল। ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে শিশুটি কিছুক্ষণ আগেই পৃথিবীতে এসেছে এবং কাছেই কোনো ক্লিনিক বা ঘর থেকে এখানে ফেলে আনা হতে পারে। তবে কী কারণে বা কে শিশুটিকে ফেলে গেছে, তা এখনও শনাক্ত করা যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. নুসরাত ফারজানা খান জানান, উদ্ধার করে শিশুটিকে তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে; বর্তমানে শিশুটি আশঙ্কামুক্ত আছে।

খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি বলেন, “আমি নিজেও একজন মা। খবরটা শুনে খুব কষ্ট পেলাম। শিশুটির সুরক্ষা ও উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

ময়লার স্তূপে নবজাতক ফেলে রাখার খবরটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা এ ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন। অন্যদিকে শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে কয়েকজন ইতিমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেছেন। প্রশাসন ঘটনার তদন্ত করছে।