০৬:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ স্মারক ডাকটিকিট সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জুলাইয়ের অর্জন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করলেন জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের স্মারক ডাকটিকিট অর্থমন্ত্রী: বাংলাদেশ এগোচ্ছে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দিকে গণতন্ত্র মজবুত করতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা বাড়বে: চিফ হুইপ জুলাই স্মৃতির অবমাননার অভিযোগ: শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে মুক্ত বুদ্ধিচর্চা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জুলাই অবমাননার অভিযোগে শাওন, মাহি ও ফারজানার বিরুদ্ধে শাহবাগে জিডি বৈচিত্র্যের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য মুক্ত ও দায়বহ বুদ্ধিচর্চা অপরিহার্য: তথ্যমন্ত্রী

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কোনো অনুষ্ঠানের প্রচারকাজে ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর ছবি ব্যবহার করার ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জরুরি পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এবং তা অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি—থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকেই—ব্যবহার করা যাবে না।” সিদ্ধান্তটি নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মসূচির প্রচারণায় ব্যক্তির চেয়ে জনগুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে প্রচারণার উপকরণ তৈরিতে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুই প্রধান্য পাবে। “সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণ তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তুকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে,” পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা ও তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নান্দনিকতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। পরিপত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপকরণে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে এবং ডিজাইন এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দেশজুড়ে থাকা সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে এটি যথাযথভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানায়। সরকারি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতায় ব্যক্তির অতি-প্রচার বন্ধ করে কর্মের লক্ষ্য ও বার্তা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করাই সরকারের এ কঠোর অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য।

ট্যাগ :

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কোনো অনুষ্ঠানের প্রচারকাজে ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর ছবি ব্যবহার করার ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জরুরি পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এবং তা অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি—থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকেই—ব্যবহার করা যাবে না।” সিদ্ধান্তটি নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মসূচির প্রচারণায় ব্যক্তির চেয়ে জনগুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে প্রচারণার উপকরণ তৈরিতে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুই প্রধান্য পাবে। “সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণ তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তুকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে,” পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা ও তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নান্দনিকতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। পরিপত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপকরণে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে এবং ডিজাইন এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দেশজুড়ে থাকা সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে এটি যথাযথভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানায়। সরকারি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতায় ব্যক্তির অতি-প্রচার বন্ধ করে কর্মের লক্ষ্য ও বার্তা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করাই সরকারের এ কঠোর অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য।