১২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কোনো অনুষ্ঠানের প্রচারকাজে ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর ছবি ব্যবহার করার ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জরুরি পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এবং তা অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি—থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকেই—ব্যবহার করা যাবে না।” সিদ্ধান্তটি নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মসূচির প্রচারণায় ব্যক্তির চেয়ে জনগুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে প্রচারণার উপকরণ তৈরিতে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুই প্রধান্য পাবে। “সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণ তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তুকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে,” পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা ও তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নান্দনিকতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। পরিপত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপকরণে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে এবং ডিজাইন এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দেশজুড়ে থাকা সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে এটি যথাযথভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানায়। সরকারি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতায় ব্যক্তির অতি-প্রচার বন্ধ করে কর্মের লক্ষ্য ও বার্তা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করাই সরকারের এ কঠোর অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-ফেস্টুনে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কোনো অনুষ্ঠানের প্রচারকাজে ব্যবহৃত ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রী বা তাঁর ছবি ব্যবহার করার ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। রোববার (৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জরুরি পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরিপত্রটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ স্বাক্ষরিত এবং তা অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ রাখা হয়েছে।

পরিপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “সরকারি কোনো অনুষ্ঠান উপলক্ষে প্রস্তুত করা ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি—থ্রিডি বা অন্য কোনো আঙ্গিকেই—ব্যবহার করা যাবে না।” সিদ্ধান্তটি নেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মসূচির প্রচারণায় ব্যক্তির চেয়ে জনগুরুত্ত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে যে প্রচারণার উপকরণ তৈরিতে অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তুই প্রধান্য পাবে। “সরকারি অনুষ্ঠানের প্রচারণামূলক উপকরণ তৈরির ক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটির বিষয়বস্তুকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে,” পরিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের নকশা ও তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে নান্দনিকতা ও কার্যকারিতা বজায় রাখার কথাও বলা হয়েছে। পরিপত্রে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, উপকরণে প্রয়োজনীয় ও সামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করতে হবে এবং ডিজাইন এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে অনুষ্ঠানটির উদ্দেশ্য, বার্তা ও বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই নির্দেশনাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং দেশজুড়ে থাকা সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে এটি যথাযথভাবে প্রতিপালনের আহ্বান জানায়। সরকারি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতায় ব্যক্তির অতি-প্রচার বন্ধ করে কর্মের লক্ষ্য ও বার্তা স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করাই সরকারের এ কঠোর অবস্থানের মূল উদ্দেশ্য।