১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী শনিবার, ১১ জুলাই, প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘোষণার পর থেকেই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠটিতে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই আয়োজনকে একটি বর্ণাঢ্য মিলনমেলা হিসেবে দেখছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

ঢামেক ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী আগমনের প্রস্তুতি তৎপরতা দেখা গেছে; শিক্ষার্থীরা আশা করছেন এই সফর হাসপাতালের বহুদিনের দফা-দফা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ও টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহারা হবে। তারা মনে করেন দেশের শীর্ষসংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা এ চিকিৎসালয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সংশ্লিষ্টদের আরও উদ্দীপ্ত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান—এসব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন আবেগঘন একটি মুহূর্ত হবে।

অন্যদিকে, ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম মনে করেন, “আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তার প্রতিফলন এই সফরে দেখা যাবে।” ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, “১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীদের আগমন ঢামেকসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসছে। এটি আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।”

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাজসজ্জা ও আয়োজন কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী এই সফরকে নিয়ে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী শনিবার, ১১ জুলাই, প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘোষণার পর থেকেই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠটিতে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই আয়োজনকে একটি বর্ণাঢ্য মিলনমেলা হিসেবে দেখছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

ঢামেক ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী আগমনের প্রস্তুতি তৎপরতা দেখা গেছে; শিক্ষার্থীরা আশা করছেন এই সফর হাসপাতালের বহুদিনের দফা-দফা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ও টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহারা হবে। তারা মনে করেন দেশের শীর্ষসংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা এ চিকিৎসালয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সংশ্লিষ্টদের আরও উদ্দীপ্ত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান—এসব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন আবেগঘন একটি মুহূর্ত হবে।

অন্যদিকে, ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম মনে করেন, “আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তার প্রতিফলন এই সফরে দেখা যাবে।” ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, “১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীদের আগমন ঢামেকসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসছে। এটি আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।”

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাজসজ্জা ও আয়োজন কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী এই সফরকে নিয়ে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়ছে।