০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ঢাকায় ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের স্থায়ী ভিসা সেন্টার স্থাপনের তৎপরতা শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদফতরে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ইসি: জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা স্থানীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতে চায় জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণে তাদাও আন্দোর নকশায় আধুনিক ‘বাংলাদেশ চিলড্রেন লাইব্রেরি’ নির্মাণ অক্টোবর থেকে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটগ্রহণ: তথ্য উপদেষ্টা মানিকগঞ্জে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়ার আকস্মিক পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টা: অক্টোবরেই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ডিএমপিতে উচ্চপর্যায়ের রদবদল — ৬ ডিসিকে বদলি ডে-কেয়ার সেন্টার দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে অপরিহার্য: ডা. জুবাইদা রহমান

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী শনিবার, ১১ জুলাই, প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘোষণার পর থেকেই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠটিতে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই আয়োজনকে একটি বর্ণাঢ্য মিলনমেলা হিসেবে দেখছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

ঢামেক ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী আগমনের প্রস্তুতি তৎপরতা দেখা গেছে; শিক্ষার্থীরা আশা করছেন এই সফর হাসপাতালের বহুদিনের দফা-দফা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ও টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহারা হবে। তারা মনে করেন দেশের শীর্ষসংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা এ চিকিৎসালয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সংশ্লিষ্টদের আরও উদ্দীপ্ত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান—এসব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন আবেগঘন একটি মুহূর্ত হবে।

অন্যদিকে, ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম মনে করেন, “আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তার প্রতিফলন এই সফরে দেখা যাবে।” ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, “১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীদের আগমন ঢামেকসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসছে। এটি আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।”

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাজসজ্জা ও আয়োজন কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী এই সফরকে নিয়ে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিতঃ ০২:২৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আগামী শনিবার, ১১ জুলাই, প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই ঘোষণার পর থেকেই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠটিতে বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ এবং প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এই আয়োজনকে একটি বর্ণাঢ্য মিলনমেলা হিসেবে দেখছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এছাড়া তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সহধর্মিণী এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

ঢামেক ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী আগমনের প্রস্তুতি তৎপরতা দেখা গেছে; শিক্ষার্থীরা আশা করছেন এই সফর হাসপাতালের বহুদিনের দফা-দফা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ও টেকসই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সাহারা হবে। তারা মনে করেন দেশের শীর্ষসংস্থাগুলোর মধ্যে থাকা এ চিকিৎসালয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সংশ্লিষ্টদের আরও উদ্দীপ্ত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থান—এসব ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের অবদান স্মরণীয়।” তিনি আরও যোগ করেন যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন আবেগঘন একটি মুহূর্ত হবে।

অন্যদিকে, ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম মনে করেন, “আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তার প্রতিফলন এই সফরে দেখা যাবে।” ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, “১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীদের আগমন ঢামেকসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসছে। এটি আমাদের ঐতিহ্যকে নতুন করে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।”

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাজসজ্জা ও আয়োজন কার্যক্রম চলমান থাকায় আগামী এই সফরকে নিয়ে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়ছে।