০৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মধ্যরাতে শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকায় ছাত্রশিবিরের সঙ্গে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

এরপর সংঘর্ষে ছড়িয়ে পড়ে চকবাজার থানা ও আশেপাশের এলাকা। সংঘর্ষে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষ আলাদাভাবে অবস্থান নিয়ে থেমে থেমে স্লোগান দিচ্ছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উভয়পক্ষকে নির্বৃত্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের দাবি, কয়েকদিন আগে যুবদলের কয়েকজন অনুসারী চাঁদাবাজি করতে গেলে মহসিন কলেজের শিবির নেতা আরিফসহ কয়েকজন তাদের ধরে পুলিশে দেয়। এ ঘটনার ক্ষোভে আরিফকে একা পেয়ে ছাত্রলীগ বলে থানায় নিয়ে যায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা। খবর পেয়ে তাকে ছাড়াতে যায় শিবিরের নেতারা।

অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, ছাত্রলীগের একজনকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। শিবিরের নেতারা তাকে ছাড়াতে যায়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, এক ছাত্রকে মারধর করে থানায় সোপর্দ করার ঘটনায় ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছি। 
 
চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শিবিরের প্রচার সম্পাদক সিরাজী মানিক বলেন, চকবাজারে ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে।
 
মহানগর উত্তর শাখা শিবিরের সভাপতি তানজির হোসেন জুয়েল বলেন, আরিফুল ইসলাম নামে আমাদের একজনকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে চকবাজার থানায় গেলে যুবদলের বহিস্কৃত নেতা এমদাদুল হক বাদশার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা থানায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
নগর ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি থানায় বৈঠকে রয়েছেন বলে জানান।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

মধ্যরাতে শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষ

প্রকাশিতঃ ০৪:৪৪:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার থানা এলাকায় ছাত্রশিবিরের সঙ্গে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

এরপর সংঘর্ষে ছড়িয়ে পড়ে চকবাজার থানা ও আশেপাশের এলাকা। সংঘর্ষে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। রাত ১টার দিকে শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষ আলাদাভাবে অবস্থান নিয়ে থেমে থেমে স্লোগান দিচ্ছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উভয়পক্ষকে নির্বৃত্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের দাবি, কয়েকদিন আগে যুবদলের কয়েকজন অনুসারী চাঁদাবাজি করতে গেলে মহসিন কলেজের শিবির নেতা আরিফসহ কয়েকজন তাদের ধরে পুলিশে দেয়। এ ঘটনার ক্ষোভে আরিফকে একা পেয়ে ছাত্রলীগ বলে থানায় নিয়ে যায় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতারা। খবর পেয়ে তাকে ছাড়াতে যায় শিবিরের নেতারা।

অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতাদের দাবি, ছাত্রলীগের একজনকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। শিবিরের নেতারা তাকে ছাড়াতে যায়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, এক ছাত্রকে মারধর করে থানায় সোপর্দ করার ঘটনায় ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। আমরা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছি। 
 
চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শিবিরের প্রচার সম্পাদক সিরাজী মানিক বলেন, চকবাজারে ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করেছে।
 
মহানগর উত্তর শাখা শিবিরের সভাপতি তানজির হোসেন জুয়েল বলেন, আরিফুল ইসলাম নামে আমাদের একজনকে মারধর করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে চকবাজার থানায় গেলে যুবদলের বহিস্কৃত নেতা এমদাদুল হক বাদশার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা থানায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
নগর ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি থানায় বৈঠকে রয়েছেন বলে জানান।