০৮:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গত অর্থবছরে ৬ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

2024-’25 অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশে প্রায় ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশের মাছের উৎপাদন мөл্যা, যা এখন পর্যন্ত ৫০.১৮ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়েছে। দেশের প্রায় ১৪ লাখ নারীসহ দুই কোটি বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। মৎস্য খাত দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ২.৫৩ শতাংশ অবদান রাখে, আর কৃষিজ জিডিপিতে এর অংশ ২২.২৬ শতাংশ। বিশেষ করে বাংলাদেশ ইলিশ আহরণে বিশ্বে প্রথম স্থানাধিকার করে, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় ও তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনে পঞ্চম স্থান রয়েছে।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়, যেখানে ‘মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং সর্বোত্তম ব্যবহার’ বিষয়ে আলোচনা হয়। খুলনাস্থ বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, বিদেশে মানসম্পন্ন মৎস্যপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে এটি ধরে রাখতে হলে, পণ্য মানের মানদণ্ড বজায় রাখা জরুরি। মাছে কোনও অপদ্রব্য বা বিষ মিশলে ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজার হারাতে হবে। এজন্য মাছের পোনা সংগ্রহ, চাষ, আহরণ, বাজারজাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সব পর্যায়ে মান রক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

তারা উল্লেখ করেন, একসময় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে মাছ রপ্তানির মাধ্যমে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বর্তমানে চতুর্থ বা সপ্তম স্থানে নামতে হয়েছে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য মানসম্পন্ন পোনা সরবরাহ ও মাছচাষে আরও সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজন। দেশের স্থানীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কার্যকরী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির মো. জাহিদুল হাসান এবং খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আবুল হাসান।

এছাড়া, মৎস্য খাতে খুলনা অঞ্চলের অবদান, লাভজনক ও মানসম্পন্ন মাছচাষ, মৎস্য আইন-২০২০ এবং মৎস্য ও মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা করেন কর্মকর্তারা। এই সভায় অংশ নেন বিভিন্ন মাছচাষি, ব্যবসায়ী ও রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

গত অর্থবছরে ৬ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

2024-’25 অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশে প্রায় ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকার মাছ ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো দেশের মাছের উৎপাদন мөл্যা, যা এখন পর্যন্ত ৫০.১৮ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়েছে। দেশের প্রায় ১৪ লাখ নারীসহ দুই কোটি বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। মৎস্য খাত দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ২.৫৩ শতাংশ অবদান রাখে, আর কৃষিজ জিডিপিতে এর অংশ ২২.২৬ শতাংশ। বিশেষ করে বাংলাদেশ ইলিশ আহরণে বিশ্বে প্রথম স্থানাধিকার করে, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয় ও তেলাপিয়া মাছ উৎপাদনে পঞ্চম স্থান রয়েছে।

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানানো হয়, যেখানে ‘মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং সর্বোত্তম ব্যবহার’ বিষয়ে আলোচনা হয়। খুলনাস্থ বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএফইএ) সম্মেলনকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, বিদেশে মানসম্পন্ন মৎস্যপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় আরও বৃদ্ধি পাবে। তবে এটি ধরে রাখতে হলে, পণ্য মানের মানদণ্ড বজায় রাখা জরুরি। মাছে কোনও অপদ্রব্য বা বিষ মিশলে ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজার হারাতে হবে। এজন্য মাছের পোনা সংগ্রহ, চাষ, আহরণ, বাজারজাত ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সব পর্যায়ে মান রক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

তারা উল্লেখ করেন, একসময় বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোতে মাছ রপ্তানির মাধ্যমে দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও বর্তমানে চতুর্থ বা সপ্তম স্থানে নামতে হয়েছে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য মানসম্পন্ন পোনা সরবরাহ ও মাছচাষে আরও সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজন। দেশের স্থানীয় প্রজাতির মাছ রক্ষায় নেওয়া উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে কার্যকরী পদক্ষেপ প্রয়োজন।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির মো. জাহিদুল হাসান এবং খুলনা মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আবুল হাসান।

এছাড়া, মৎস্য খাতে খুলনা অঞ্চলের অবদান, লাভজনক ও মানসম্পন্ন মাছচাষ, মৎস্য আইন-২০২০ এবং মৎস্য ও মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে আলোচনা করেন কর্মকর্তারা। এই সভায় অংশ নেন বিভিন্ন মাছচাষি, ব্যবসায়ী ও রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।