০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

নতুন ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের উদ্যোগ শুরু

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী ২৭ আগস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর আগে ১৩ আগস্টের এক সভায় আলোচনায় উঠে আসে এই বিষয়টি, তবে ব্যাংকখাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশিরভাগ পরিচালকের মত ছিল, নতুন কোনো ব্যাংকের অনুমোদন না দেওয়ার পক্ষে।

২০২৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রথমবারের মতো অনুমোদন পেয়েছে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক—নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি এবং কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি। তবে, এগুলোর কার্যক্রমে এখনো নানা অনিশ্চয়তা থাকছে।

সূত্রের খবর, ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি। এছাড়াও, একই সময়ে কিছু প্রচলিত ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছেন না। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বেশ কিছু সদস্য নতুন লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

তবে, এই পরিকল্পনায় কোনো থেমে থাকার উপায় নেই। শিগগিরই আগ্রহী কোম্পানিগুলো থেকে নতুন ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন চাওয়া হতে পারে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন আহ্বান করলে ৫২টি আবেদন জমা পড়েছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৯টি প্রস্তাব পরিচালনা পর্ষদের কাছে পাঠানো হয়।

তালিকায় ছিল নগদ, কড়ি, স্মার্ট ডিজিটাল ব্যাংক, নর্থ ইস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও জাপান-বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক। এছাড়াও, বিকাশ, ডিজি টেন ও কিছু অন্যান্য প্রস্তাবকে পৃথক লাইসেন্স না দিয়ে, ডিজিটাল ব্যাংকিং উইং চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আবেদন বাতিল করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অতীতের মতো রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নয়, এবারে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও কঠোর মানদণ্ডে নতুন আবেদনগুলো মূল্যায়ন করা হবে। এ ধাপগুলো আরও বেশি গতিশীল, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

নতুন ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের উদ্যোগ শুরু

প্রকাশিতঃ ১০:৪৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। আগামী ২৭ আগস্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এর আগে ১৩ আগস্টের এক সভায় আলোচনায় উঠে আসে এই বিষয়টি, তবে ব্যাংকখাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় বেশিরভাগ পরিচালকের মত ছিল, নতুন কোনো ব্যাংকের অনুমোদন না দেওয়ার পক্ষে।

২০২৩ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রথমবারের মতো অনুমোদন পেয়েছে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক—নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি এবং কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি। তবে, এগুলোর কার্যক্রমে এখনো নানা অনিশ্চয়তা থাকছে।

সূত্রের খবর, ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এখনও পুরোপুরি তৈরি হয়নি। এছাড়াও, একই সময়ে কিছু প্রচলিত ব্যাংক আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছেন না। এসব কারণেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বেশ কিছু সদস্য নতুন লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

তবে, এই পরিকল্পনায় কোনো থেমে থাকার উপায় নেই। শিগগিরই আগ্রহী কোম্পানিগুলো থেকে নতুন ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন চাওয়া হতে পারে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের জন্য আবেদন আহ্বান করলে ৫২টি আবেদন জমা পড়েছিল। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৯টি প্রস্তাব পরিচালনা পর্ষদের কাছে পাঠানো হয়।

তালিকায় ছিল নগদ, কড়ি, স্মার্ট ডিজিটাল ব্যাংক, নর্থ ইস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও জাপান-বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক। এছাড়াও, বিকাশ, ডিজি টেন ও কিছু অন্যান্য প্রস্তাবকে পৃথক লাইসেন্স না দিয়ে, ডিজিটাল ব্যাংকিং উইং চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আবেদন বাতিল করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, অতীতের মতো রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নয়, এবারে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও কঠোর মানদণ্ডে নতুন আবেদনগুলো মূল্যায়ন করা হবে। এ ধাপগুলো আরও বেশি গতিশীল, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।