০৭:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার সংগ্রহ

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বিগত তিন অর্থবছর ধরে রিজার্ভ থেকে ব্যাপক পরিমাণে ডলার বিক্রি করলেও, এ বছর ভিন্ন পথে হাঁটছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সাত দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৮১ কোটি ডলার থেকে বেশি কিনে নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে, গত মঙ্গলবার আটটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলার চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে, ব্যাংকগুলো সরাসরি বাজার থেকে ডলার কিনছে। তার মতে, এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে ডলার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকে।

গতকাল কেনাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে হয়। প্রতিটি ডলার বিক্রির হার ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার ক্রয় করেছে। ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১.৯৫ টাকা দিয়ে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১.৩৫ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৪৭ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং ২ সেপ্টেম্বর ৮টি ব্যাংকের থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়। আজ ৪ সেপ্টেম্বর পাঁচটি ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি বা অস্বাভাবিক পতন অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। বর্তমানে দেশে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বিদেশি দেনা পরিশোধও ঠিকমতো চলছে। ফলে, নিকট ভবিষ্যতে ডলারের চাহিদায় তীব্র বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা কম।

নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, এই ডলার ক্রয় রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি, জাতীয় নির্বাচন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, ফলে ডলারের চাহিদাও বাড়তে পারে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার সংগ্রহ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বাজারের স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে বিগত তিন অর্থবছর ধরে রিজার্ভ থেকে ব্যাপক পরিমাণে ডলার বিক্রি করলেও, এ বছর ভিন্ন পথে হাঁটছে। চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত সাত দফায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট ৮১ কোটি ডলার থেকে বেশি কিনে নিয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার, পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে, গত মঙ্গলবার আটটি ব্যাংকের কাছ থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে ডলার চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি। এ কারণেই রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি না করে, ব্যাংকগুলো সরাসরি বাজার থেকে ডলার কিনছে। তার মতে, এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যাতে ডলার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকে।

গতকাল কেনাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির মাধ্যমে মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতিতে হয়। প্রতিটি ডলার বিক্রির হার ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা।

এর আগে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক পাঁচ দফায় ডলার ক্রয় করেছে। ১৩ জুলাই ১৮টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার, ১৫ জুলাই একই দরে ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার, ২৩ জুলাই ১২১.৯৫ টাকা দিয়ে ১ কোটি ডলার, ৭ আগস্ট ১২১.৩৫ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১০ আগস্ট ১১টি ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১.৪৭ থেকে ১২১.৫০ টাকায় ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং ২ সেপ্টেম্বর ৮টি ব্যাংকের থেকে ৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার সংগ্রহ করা হয়। আজ ৪ সেপ্টেম্বর পাঁচটি ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার কেনা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের দ্রুত মূল্য বৃদ্ধি বা অস্বাভাবিক পতন অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর। বর্তমানে দেশে খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় মজুদ পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বিদেশি দেনা পরিশোধও ঠিকমতো চলছে। ফলে, নিকট ভবিষ্যতে ডলারের চাহিদায় তীব্র বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা কম।

নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, এই ডলার ক্রয় রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি, জাতীয় নির্বাচন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এলে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে, ফলে ডলারের চাহিদাও বাড়তে পারে।