০৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

কাতারে হামলার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে

মঙ্গলবার কাতারে ইসরায়েলি হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়ান তেল ক্রেতাদের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার খবর পাওয়া যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি এবং দুর্বল চাহিদার কারণে এই দাম বাড়ার গতি খুব বেশি ছিল না।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬৭ ডলারে পৌঁছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৯২ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে, মার্কিন পশ্চিম টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড তেলের দাম ৬৩.২৪ ডলারে অবস্থান করে, যেখানে এটি বেড়েছে ৬১ সেন্ট বা ০.৯৭ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তেলের সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পূর্বের তুলনায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে যদি ওপেকপ্লাসের সদস্য দেশগুলো হামলার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এসব হামলায় ইসরায়েল দাবি করছে, হামাস নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। কাতারের সরকার এই হামলাকে শান্তি আলোচনা অনেকটা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন।

হামলার পর প্রথমে তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়, তবে আমেরিকা দোহাকে আশ্বাস দেয় যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে তারা জানায় যে, সরবরাহে কোনো বিঘ্ন হয়না, ফলে দাম স্থিতিশীল হতে থাকে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে চীনা ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। এর উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো। চীন ও ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানির প্রধান দেশ, এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পরও তারা রাশিয়ার অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই বড় ক্রেতাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে তা রুশ তেলের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকোচন এবং দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

কাতারে হামলার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে

প্রকাশিতঃ ১০:৪৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মঙ্গলবার কাতারে ইসরায়েলি হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাশিয়ান তেল ক্রেতাদের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার খবর পাওয়া যাওয়ার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি এবং দুর্বল চাহিদার কারণে এই দাম বাড়ার গতি খুব বেশি ছিল না।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬৭ ডলারে পৌঁছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৯২ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বৃদ্ধি। একই সময়ে, মার্কিন পশ্চিম টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড তেলের দাম ৬৩.২৪ ডলারে অবস্থান করে, যেখানে এটি বেড়েছে ৬১ সেন্ট বা ০.৯৭ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, কাতারে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে তেলের সরবরাহের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে পূর্বের তুলনায় সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে যদি ওপেকপ্লাসের সদস্য দেশগুলো হামলার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এসব হামলায় ইসরায়েল দাবি করছে, হামাস নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। কাতারের সরকার এই হামলাকে শান্তি আলোচনা অনেকটা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন।

হামলার পর প্রথমে তেলের দাম প্রায় ২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়, তবে আমেরিকা দোহাকে আশ্বাস দেয় যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে তারা জানায় যে, সরবরাহে কোনো বিঘ্ন হয়না, ফলে দাম স্থিতিশীল হতে থাকে।

অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে চীনা ও ভারতের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন। এর উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো। চীন ও ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানির প্রধান দেশ, এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন আক্রমণের পরও তারা রাশিয়ার অর্থনীতিকে সচল রাখতে সাহায্য চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই বড় ক্রেতাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়, তবে তা রুশ তেলের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারে। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সংকোচন এবং দাম বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।