১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফিরছে এপিবিএন দায়িত্ব

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সভায়, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে জটিলতা দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অস্থায়ী বিরোধগুলো সমাধান হতে পারে বলে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

গত এক বছর ধরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএন ও বিমানবাহিনী বা এভসেকের মধ্যে প্রভাবশালী দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এপিবিএন অভিযোগ করেছিল, বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের অফিস কক্ষের মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। এই বিরোধের কারণে অনেক সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যাঘাত ঘটেছিল, যা নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

অবশেষে গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, দ্রুত এপিবিএনকে আবারও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে, বিমানবাহিনী বা অন্য বাহিনী তাদের দায়িত্ব শেষ করে ফিরে যাবে। এই সিদ্ধান্তে অস্থায়ী দুরত্ব কমে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের বিরোধতা দূর করতে ভবিষ্যতে আরো সুসংহত ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে, দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি নতুন বাহিনী ‘এয়ার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (এজিবি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, এই বাহিনী গঠনের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সভায় উপস্থিত মুখপাত্রদের মতে, এই সিদ্ধান্তে ঝগড়া ও বিভ্রান্তি কমে যাবে এবং নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলো আরও সুসংগঠিত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে। তবে, এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে সময় লাগবে আর কঠোর পরিকল্পনা ও সমন্বয় প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফিরছে এপিবিএন দায়িত্ব

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সভায়, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে জটিলতা দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অস্থায়ী বিরোধগুলো সমাধান হতে পারে বলে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

গত এক বছর ধরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএন ও বিমানবাহিনী বা এভসেকের মধ্যে প্রভাবশালী দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এপিবিএন অভিযোগ করেছিল, বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের অফিস কক্ষের মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। এই বিরোধের কারণে অনেক সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যাঘাত ঘটেছিল, যা নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

অবশেষে গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, দ্রুত এপিবিএনকে আবারও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে, বিমানবাহিনী বা অন্য বাহিনী তাদের দায়িত্ব শেষ করে ফিরে যাবে। এই সিদ্ধান্তে অস্থায়ী দুরত্ব কমে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের বিরোধতা দূর করতে ভবিষ্যতে আরো সুসংহত ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে, দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি নতুন বাহিনী ‘এয়ার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (এজিবি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, এই বাহিনী গঠনের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সভায় উপস্থিত মুখপাত্রদের মতে, এই সিদ্ধান্তে ঝগড়া ও বিভ্রান্তি কমে যাবে এবং নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলো আরও সুসংগঠিত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে। তবে, এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে সময় লাগবে আর কঠোর পরিকল্পনা ও সমন্বয় প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।