০৪:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফিরছে এপিবিএন দায়িত্ব

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সভায়, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে জটিলতা দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অস্থায়ী বিরোধগুলো সমাধান হতে পারে বলে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

গত এক বছর ধরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএন ও বিমানবাহিনী বা এভসেকের মধ্যে প্রভাবশালী দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এপিবিএন অভিযোগ করেছিল, বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের অফিস কক্ষের মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। এই বিরোধের কারণে অনেক সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যাঘাত ঘটেছিল, যা নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

অবশেষে গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, দ্রুত এপিবিএনকে আবারও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে, বিমানবাহিনী বা অন্য বাহিনী তাদের দায়িত্ব শেষ করে ফিরে যাবে। এই সিদ্ধান্তে অস্থায়ী দুরত্ব কমে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের বিরোধতা দূর করতে ভবিষ্যতে আরো সুসংহত ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে, দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি নতুন বাহিনী ‘এয়ার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (এজিবি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, এই বাহিনী গঠনের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সভায় উপস্থিত মুখপাত্রদের মতে, এই সিদ্ধান্তে ঝগড়া ও বিভ্রান্তি কমে যাবে এবং নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলো আরও সুসংগঠিত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে। তবে, এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে সময় লাগবে আর কঠোর পরিকল্পনা ও সমন্বয় প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো

শাহজালাল বিমানবন্দরে ফিরছে এপিবিএন দায়িত্ব

প্রকাশিতঃ ১০:৪৭:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পুনরায় গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের সভায়, যেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে জটিলতা দূর করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে অস্থায়ী বিরোধগুলো সমাধান হতে পারে বলে প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে।

গত এক বছর ধরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় এপিবিএন ও বিমানবাহিনী বা এভসেকের মধ্যে প্রভাবশালী দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এপিবিএন অভিযোগ করেছিল, বিমানবন্দরের ভেতর থেকে তাদের অফিস কক্ষের মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের উপস্থিতি সীমিত করা হয়েছে। এই বিরোধের কারণে অনেক সময়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যাঘাত ঘটেছিল, যা নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক হয়েছে।

অবশেষে গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, দ্রুত এপিবিএনকে আবারও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে, বিমানবাহিনী বা অন্য বাহিনী তাদের দায়িত্ব শেষ করে ফিরে যাবে। এই সিদ্ধান্তে অস্থায়ী দুরত্ব কমে আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের বিরোধতা দূর করতে ভবিষ্যতে আরো সুসংহত ও নিয়মিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে, দেশের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি নতুন বাহিনী ‘এয়ার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (এজিবি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে, এই বাহিনী গঠনের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

সভায় উপস্থিত মুখপাত্রদের মতে, এই সিদ্ধান্তে ঝগড়া ও বিভ্রান্তি কমে যাবে এবং নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হবে। তারা আশাবাদ প্রকাশ করেছেন, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিমানবন্দরগুলো আরও সুসংগঠিত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে। তবে, এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বাস্তবায়নে সময় লাগবে আর কঠোর পরিকল্পনা ও সমন্বয় প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।