০৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ

বিসিবির কোষাগারে এখন প্রায় ১৪০০ কোটি টাকার সম্পদ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোষাগারে কত টাকা রয়েছে তা নিয়ে প্রায়শই নানা ধরণের সূত্র ও হিসাব প্রকাশ পায়, তবে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেছে সত্যিই কত টাকা থাকছে। বিদায়ী বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ ঘোষণা করেছে, তারা ১৩৯৮ কোটি টাকা অর্থাৎ প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা কোষাগারে রেখে দায়িত্ব বুঝে নেবে।

২০২১ সালে বোর্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করে টানা তিনটি পৃথক সভাপতির নেতৃত্বে কাজ চালিয়ে গেছে বিসিবি। প্রথমে ছিলেন নাজমুল হাসান, যিনি তিন মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি তার দায়িত্ব হারান। এরপর, মাত্র ৯ মাসের জন্য বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন ফারুক আহমেদ। সর্বশেষ, প্রায় চার মাস ধরে বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার সভাপতিত্বে গত সোমবার বোর্ডের বিদায়ী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা রাত ৯টায় শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে, এরপর মধ্যরাতে শেষ হয়। দীর্ঘ সময়ের কারণ ছিল বোর্ড নির্বাচন সম্পর্কিত কাউন্সিলর অনুমোদন নিয়ে জটিলতা, যা দেশের ক্রিকেটে বেশ আলোচিত বিষয়।

সভা শেষে মধ্যরাতে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান অর্থনৈতিক অবস্থার হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৯৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে রেখেছি। এর মধ্যে রয়েছে এফডিআর, হাতে থাকা নগদ অর্থ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স—সব মিলিয়ে এই পরিমাণ অর্থ দেখানো হচ্ছে।’

সভায় বিপিএল আয়োজনের কথাও আলোচনা হয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, বোর্ডের নির্বাচন ও অন্যান্য কাজের কারণে এ প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও এখনো নেওয়া হয় নি, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পরিস্থিতিও অনিশ্চিত।

সামনের দিনগুলোতে জাতীয় নির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতির বিষয়েরও আলোচনায় উঠে আসে। ইফতেখার রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করি, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিপিএল হবে। তবে সেটার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী বোর্ডের ওপর। আমরা কিছু প্রস্তুতি নিচ্ছি, পরবর্তী বোর্ড যখন আসবে তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বিসিবির কোষাগারে এখন প্রায় ১৪০০ কোটি টাকার সম্পদ

প্রকাশিতঃ ০৪:১২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোষাগারে কত টাকা রয়েছে তা নিয়ে প্রায়শই নানা ধরণের সূত্র ও হিসাব প্রকাশ পায়, তবে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানা গেছে সত্যিই কত টাকা থাকছে। বিদায়ী বোর্ডের পরিচালনা পর্ষদ ঘোষণা করেছে, তারা ১৩৯৮ কোটি টাকা অর্থাৎ প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা কোষাগারে রেখে দায়িত্ব বুঝে নেবে।

২০২১ সালে বোর্ডের দায়িত্ব গ্রহণ করে টানা তিনটি পৃথক সভাপতির নেতৃত্বে কাজ চালিয়ে গেছে বিসিবি। প্রথমে ছিলেন নাজমুল হাসান, যিনি তিন মেয়াদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে গত বছর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি তার দায়িত্ব হারান। এরপর, মাত্র ৯ মাসের জন্য বোর্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন ফারুক আহমেদ। সর্বশেষ, প্রায় চার মাস ধরে বোর্ডের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার সভাপতিত্বে গত সোমবার বোর্ডের বিদায়ী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভা রাত ৯টায় শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে, এরপর মধ্যরাতে শেষ হয়। দীর্ঘ সময়ের কারণ ছিল বোর্ড নির্বাচন সম্পর্কিত কাউন্সিলর অনুমোদন নিয়ে জটিলতা, যা দেশের ক্রিকেটে বেশ আলোচিত বিষয়।

সভা শেষে মধ্যরাতে সংবাদ সম্মেলনে বোর্ডের পরিচালক ইফতেখার রহমান অর্থনৈতিক অবস্থার হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৯৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করে রেখেছি। এর মধ্যে রয়েছে এফডিআর, হাতে থাকা নগদ অর্থ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স—সব মিলিয়ে এই পরিমাণ অর্থ দেখানো হচ্ছে।’

সভায় বিপিএল আয়োজনের কথাও আলোচনা হয়। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিপিএল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও, বোর্ডের নির্বাচন ও অন্যান্য কাজের কারণে এ প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও এখনো নেওয়া হয় নি, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর পরিস্থিতিও অনিশ্চিত।

সামনের দিনগুলোতে জাতীয় নির্বাচন ঘিরে পরিস্থিতির বিষয়েরও আলোচনায় উঠে আসে। ইফতেখার রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করি, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিপিএল হবে। তবে সেটার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী বোর্ডের ওপর। আমরা কিছু প্রস্তুতি নিচ্ছি, পরবর্তী বোর্ড যখন আসবে তখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’