০৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ নরসিংদীতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা: এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার মিশরের প্রেসিডেন্ট আল-সিসি তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে দক্ষ ও মানবিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তুলুন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আটকা পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যমন্ত্রী: নিজেকে মানবিক ও দক্ষ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে গড়ুন মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আটকে পড়া প্রবাসীদের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) উদ্যোগে হয়েছে। এই তথ্য সোমবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি এই ব্যাপক অভিযানের বিবরণ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ডিএইচএস এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজারের বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে বা তারা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ক্রিস্টি নোয়েম উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে তারা দেশের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সফল হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন পদক্ষেপ নিচ্ছি যাতে আমাদের কমিউনিটিগুলো আরও নিরাপদ হয়, পরিবারগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে, উন্নত হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারে।’ একইসঙ্গে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের জন্য এটিকে তার প্রশাসনের ‘রেকর্ড ভাঙা অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমার প্রশাসনের অধীনে এফবিআই দুর্দান্ত কাজ করছে। ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি সহিংস অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে — যা রেকর্ড ভাঙা! আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আইন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনছি।’ এছাড়াও, গত মাসে ডিএইচএস জানিয়েছিল, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২০ লাখ অবৈধ অভিবাসী দেশ ত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ স্বেচ্ছায় দেশবাস ত্যাগ করেছেন এবং চার লাখের বেশি মানুষকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাসিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রমগুলো দেশের নিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগের দাবিকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত

জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৮:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) উদ্যোগে হয়েছে। এই তথ্য সোমবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি এই ব্যাপক অভিযানের বিবরণ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ডিএইচএস এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজারের বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে বা তারা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ক্রিস্টি নোয়েম উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে তারা দেশের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সফল হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন পদক্ষেপ নিচ্ছি যাতে আমাদের কমিউনিটিগুলো আরও নিরাপদ হয়, পরিবারগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে, উন্নত হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারে।’ একইসঙ্গে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের জন্য এটিকে তার প্রশাসনের ‘রেকর্ড ভাঙা অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমার প্রশাসনের অধীনে এফবিআই দুর্দান্ত কাজ করছে। ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি সহিংস অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে — যা রেকর্ড ভাঙা! আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আইন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনছি।’ এছাড়াও, গত মাসে ডিএইচএস জানিয়েছিল, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২০ লাখ অবৈধ অভিবাসী দেশ ত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ স্বেচ্ছায় দেশবাস ত্যাগ করেছেন এবং চার লাখের বেশি মানুষকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাসিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রমগুলো দেশের নিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগের দাবিকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে।