১০:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা বিশ্ববাজারে তেলদাম দ্বিগুণ হলেও সরকার কেবল সামান্য মূল্যবৃদ্ধি করেছে: জ্বালানি মন্ত্রী একদিনেই দেশে ফিরল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ সরকারের সিদ্ধান্ত: ৯ হাজার ধর্মীয় ও শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ আবারও হরমুজ পার হয়নি এমভি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ সরকারের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে आज প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন

জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) উদ্যোগে হয়েছে। এই তথ্য সোমবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি এই ব্যাপক অভিযানের বিবরণ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ডিএইচএস এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজারের বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে বা তারা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ক্রিস্টি নোয়েম উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে তারা দেশের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সফল হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন পদক্ষেপ নিচ্ছি যাতে আমাদের কমিউনিটিগুলো আরও নিরাপদ হয়, পরিবারগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে, উন্নত হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারে।’ একইসঙ্গে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের জন্য এটিকে তার প্রশাসনের ‘রেকর্ড ভাঙা অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমার প্রশাসনের অধীনে এফবিআই দুর্দান্ত কাজ করছে। ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি সহিংস অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে — যা রেকর্ড ভাঙা! আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আইন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনছি।’ এছাড়াও, গত মাসে ডিএইচএস জানিয়েছিল, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২০ লাখ অবৈধ অভিবাসী দেশ ত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ স্বেচ্ছায় দেশবাস ত্যাগ করেছেন এবং চার লাখের বেশি মানুষকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাসিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রমগুলো দেশের নিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগের দাবিকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসী গ্রেপ্তার

প্রকাশিতঃ ০৮:০০:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালাচ্ছে। দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (ডিএইচএস) উদ্যোগে হয়েছে। এই তথ্য সোমবার ফ্লোরিডায় এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি এই ব্যাপক অভিযানের বিবরণ দেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে ডিএইচএস এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজারের বেশি অনথিভুক্ত অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে বা তারা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ক্রিস্টি নোয়েম উল্লেখ করেন, এর মাধ্যমে তারা দেশের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সফল হচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এমন পদক্ষেপ নিচ্ছি যাতে আমাদের কমিউনিটিগুলো আরও নিরাপদ হয়, পরিবারগুলো সমৃদ্ধ হতে পারে, উন্নত হয়ে উঠতে পারে এবং দেশের স্বাধীনতা ও মূল্যবোধ রক্ষা করতে পারে।’ একইসঙ্গে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের জন্য এটিকে তার প্রশাসনের ‘রেকর্ড ভাঙা অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘আমার প্রশাসনের অধীনে এফবিআই দুর্দান্ত কাজ করছে। ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজারের বেশি সহিংস অপরাধী গ্রেপ্তার হয়েছে — যা রেকর্ড ভাঙা! আমরা যুক্তরাষ্ট্রে আইন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনছি।’ এছাড়াও, গত মাসে ডিএইচএস জানিয়েছিল, চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মোট ২০ লাখ অবৈধ অভিবাসী দেশ ত্যাগ করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ১৬ লাখ স্বেচ্ছায় দেশবাস ত্যাগ করেছেন এবং চার লাখের বেশি মানুষকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাসিত করা হয়েছে। এই কার্যক্রমগুলো দেশের নিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগের দাবিকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরে।