০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বিজিএমইএ-এনপিও সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা, উৎপাদন দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী করে তুলতে একত্রিতভাবে কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার এনপিওর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিজিএমইএর পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম এবং এনপিওর সভাপতি মো. নুরুল আলম। প্রতিষ্ঠিত চুক্তি অনুযায়ী, পোশাক শিল্পকে ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ এর জন্য প্রস্তুত করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং পরামর্শমূলক সেবা যৌথভাবে চালানো হবে। এর পাশাপাশি, উৎপাদনশীলতা ও অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে ৫এস, কাইজেন এবং লিয়েন ম্যানুফ্যাকচারিং এর মতো আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার গুরুত্ব দেওয়া হবে। সমঝোতা স্মারকের অন্তর্গত, প্রতিটি বছর তিনটি তৈরি পোশাক কারখানাকে ‘মডেল এন্টারপ্রাইজ’ হিসেবে বাছাই করে তাদের জন্য এনপিওর কারিগরি সহায়তায় একটি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি, উভয় সংস্থা এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের (এপিও) সহায়তায় গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগে একসাথে কাজ করবে। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ এর একজন প্রতিনিধি বলেছিলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং সাপ্লাই চেইনের নতুন বাস্তবতা মোকাবেলা করতে এখনই ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ গ্রহণের সময়। শুধুমাত্র কম খরচের উপর আশ্রয় না নিয়ে, গুণগত মান, দক্ষতা, গতি ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে আধুনিক পোশাক শিল্প গড়ে তুলতে হবে। বিজিএমইএর পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম বলেন, বাংলাদেশি পোশাক শিল্পকে স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এর পথে এগিয়ে নিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, আইওটি ও ইনোভেশন নিয়ে কাজ করতে হবে। এই অংশীদারিত্বটি বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পকে টেকসই, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

বিজিএমইএ-এনপিও সমঝোতা স্মারক সই

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতা, উৎপাদন দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও) একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী করে তুলতে একত্রিতভাবে কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার এনপিওর কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বিজিএমইএর পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম এবং এনপিওর সভাপতি মো. নুরুল আলম। প্রতিষ্ঠিত চুক্তি অনুযায়ী, পোশাক শিল্পকে ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ এর জন্য প্রস্তুত করতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার এবং পরামর্শমূলক সেবা যৌথভাবে চালানো হবে। এর পাশাপাশি, উৎপাদনশীলতা ও অপারেশনাল দক্ষতা বাড়াতে ৫এস, কাইজেন এবং লিয়েন ম্যানুফ্যাকচারিং এর মতো আধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার গুরুত্ব দেওয়া হবে। সমঝোতা স্মারকের অন্তর্গত, প্রতিটি বছর তিনটি তৈরি পোশাক কারখানাকে ‘মডেল এন্টারপ্রাইজ’ হিসেবে বাছাই করে তাদের জন্য এনপিওর কারিগরি সহায়তায় একটি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পাশাপাশি, উভয় সংস্থা এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশনের (এপিও) সহায়তায় গবেষণা ও সক্ষমতা উন্নয়নমূলক উদ্যোগে একসাথে কাজ করবে। অনুষ্ঠানে বিজিএমইএ এর একজন প্রতিনিধি বলেছিলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং সাপ্লাই চেইনের নতুন বাস্তবতা মোকাবেলা করতে এখনই ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ গ্রহণের সময়। শুধুমাত্র কম খরচের উপর আশ্রয় না নিয়ে, গুণগত মান, দক্ষতা, গতি ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে আধুনিক পোশাক শিল্প গড়ে তুলতে হবে। বিজিএমইএর পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম বলেন, বাংলাদেশি পোশাক শিল্পকে স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এর পথে এগিয়ে নিতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, আইওটি ও ইনোভেশন নিয়ে কাজ করতে হবে। এই অংশীদারিত্বটি বাংলাদেশের তৈরী পোশাক শিল্পকে টেকসই, আধুনিক ও প্রতিযোগিতামূলক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।