০৯:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি যুক্তরাজ্য নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ প্রধানমন্ত্রী সরানোর নির্দেশ দিলেন অভিনন্দনবাণী সহ বিলবোর্ড ও ব্যানার দ্রুত অপসারণের অভিনন্দনবাহী বিলবোর্ড দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২৩ কোটি টাকা মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতি ঝুঁকিতে নূরুল ইসলাম মনি ত্রয়োদশ সংসদের চীফ হুইপ নিযুক্ত ডুবোচর ও বর্জ্যে ইলিশহীন পায়রা, সংকটে ১৪,৬৮৯ জেলে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাৎ

সেন্ট মার্টিনে ১ ডিসেম্বর থেকে ফের জাহাজ চলাচল শুরু

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল আবারও শুরু হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটকদের জন্য দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ বাড়ছে, সাথে থাকছে রাতযাপনের সুবিধাও। তবে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকই প্রবেশ করতে পারবেন, সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের বেশি নয়।

প্রথমে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে সকাল সাতটায় জাহাজ ছেড়ে যাবে এবং পরের দিন বিকাল তিনটায় দ্বীপে পৌঁছাবে। আবার একই জাহাজ পরের দিন বিকেল তিনটায় দ্বীপ থেকে ফিরে আসবে। এই কার্যক্রমটি চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত, অর্থাৎ দুই মাস ধরে সাতটি জাহাজের মাধ্যমে পর্যটক পরিবহন ব্যবস্থা চালু থাকবে।

উল্লেখ্য, সরকার ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, তবে রাত থাকার সুবিধা লেখাটে না থাকায় এখনও কেউ দ্বীপে আসেননি। গত আট দিনের মধ্যে কোনো পর্যটকের দ্বীপে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, ১ ডিসেম্বর থেকে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা থাকায় পর্যটকদের আগ্রহ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার, যেখানে যেতে প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে। জাহাজের মধ্যে রয়েছে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, এমভি বে ক্রুজ, এমভি কাজল, কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারী ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন ও আটলান্টিক ক্রুজ।

সরকারের এই উদ্যোগের পsupported নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এর অনুমোদন ছাড়া কোন নৌযান সেন্ট মার্টিনে চলাচল করতে পারবে না। পর্যটকদের জন্য বিশেষভাবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিটকে জাল বলে গণ্য করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহবুব পাশা জানান, পর্যটক পারাপারের সময় জাহাজগুলো কঠোর নজরদারিতে থাকবে এবং দেড় হাজারের বেশি পর্যটককে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে। এজন্য নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট এবং সেন্ট মার্টিন জেটিঘাটে বিশেষ তল্লাশি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

২ ডিআইজি ও ১ অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তার বদলি

সেন্ট মার্টিনে ১ ডিসেম্বর থেকে ফের জাহাজ চলাচল শুরু

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সেন্ট মার্টিনে জাহাজ চলাচল আবারও শুরু হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে পর্যটকদের জন্য দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ বাড়ছে, সাথে থাকছে রাতযাপনের সুবিধাও। তবে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকই প্রবেশ করতে পারবেন, সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের বেশি নয়।

প্রথমে কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া জেটিঘাট থেকে সকাল সাতটায় জাহাজ ছেড়ে যাবে এবং পরের দিন বিকাল তিনটায় দ্বীপে পৌঁছাবে। আবার একই জাহাজ পরের দিন বিকেল তিনটায় দ্বীপ থেকে ফিরে আসবে। এই কার্যক্রমটি চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত, অর্থাৎ দুই মাস ধরে সাতটি জাহাজের মাধ্যমে পর্যটক পরিবহন ব্যবস্থা চালু থাকবে।

উল্লেখ্য, সরকার ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়, তবে রাত থাকার সুবিধা লেখাটে না থাকায় এখনও কেউ দ্বীপে আসেননি। গত আট দিনের মধ্যে কোনো পর্যটকের দ্বীপে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, ১ ডিসেম্বর থেকে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা থাকায় পর্যটকদের আগ্রহ সৃষ্টির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজার থেকে সেন্ট মার্টিনের দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার, যেখানে যেতে প্রায় ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে। জাহাজের মধ্যে রয়েছে এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া, এমভি বে ক্রুজ, এমভি কাজল, কেয়ারী সিন্দাবাদ, কেয়ারী ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন ও আটলান্টিক ক্রুজ।

সরকারের এই উদ্যোগের পsupported নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এর অনুমোদন ছাড়া কোন নৌযান সেন্ট মার্টিনে চলাচল করতে পারবে না। পর্যটকদের জন্য বিশেষভাবে অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিটকে জাল বলে গণ্য করা হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহবুব পাশা জানান, পর্যটক পারাপারের সময় জাহাজগুলো কঠোর নজরদারিতে থাকবে এবং দেড় হাজারের বেশি পর্যটককে প্রবেশে বাধা দেওয়া হবে। এজন্য নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট এবং সেন্ট মার্টিন জেটিঘাটে বিশেষ তল্লাশি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।