১২:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন

স্টেজ থেকে নামার পর আমি খুব কেঁদে ফেলেছি: মিথিলা

থাইল্যান্ডে চলছে বিশ্বের प्रतिष्ठিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এই মহোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজকের দিনটিতে জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে চলেছে এই বছরের মিস ইউনিভার্স ২০২৫ এর মুকুট।

প্রতিযোগিতা শুরুর দিন থেকেই প্রতিযোগীদের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বুধবার বিশ্বজুড়ে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের দেশের জাতীয় পোশাক পরিধান করে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন। একই দিনে, মিথিলা নিজের ন্যাশনাল কস্টিউমের ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন, যা দর্শকদের দারুণ উপভোগ্য হয়েছে।

বিশেষ করে, মিথিলা বাংলার ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি পরিধান করে মঞ্চে উপস্থিত হন। তার পছন্দের ন্যাশনাল কস্টিউম ছিল সাদা জামদানি, যার মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার অনন্য মোটিফশোভিত। এই পোশাকের মাধ্যমে তিনি দেশের ঐতিহ্য ও নানা ইতিহাসের ধারক বাঙালির সংস্কৃতি বিশ্বদর্শনার সামনে তুলে ধরেছেন। মিথিলা নিজে এই পোশাকের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তিনি আরও বিস্তারিত তুলে ধরেন, কেমন ছিল পুরো লুক ও উপস্থাপনা।

তিনি লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে আমার ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরা ছিল। এটি বাংলার রাজকীয় ইতিহাসের জীবন্ত ঐতিহ্য।’

গত বুধবার তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই জানাতে চাই, আমি মনে করি সবাই পছন্দ করেছেন। আমার জন্য এই পোশাক নির্বাচন করেছি যাতে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারি। আমি খুব খুশি কারণ আমি মনে করি, আমার পারফরম্যান্সও সবাই প্রশংসা করছে।’

আর বলছেন, ‘স্টেজ থেকে নামার মুহূর্তে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। তখন আমি বুঝতে পারি, নিজের দেশকে উপস্থাপন করতে কত সাহস ও শক্তির প্রয়োজন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। যখন এই মুহূর্তে আসি, তখনই উপলব্ধি করি, নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় গর্বের’। এই অনুভূতি সকলের জন্যই খুবই স্পর্শকাতর ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

স্টেজ থেকে নামার পর আমি খুব কেঁদে ফেলেছি: মিথিলা

প্রকাশিতঃ ০১:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে চলছে বিশ্বের प्रतिष्ठিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এই মহোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজকের দিনটিতে জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে চলেছে এই বছরের মিস ইউনিভার্স ২০২৫ এর মুকুট।

প্রতিযোগিতা শুরুর দিন থেকেই প্রতিযোগীদের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বুধবার বিশ্বজুড়ে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের দেশের জাতীয় পোশাক পরিধান করে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন। একই দিনে, মিথিলা নিজের ন্যাশনাল কস্টিউমের ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন, যা দর্শকদের দারুণ উপভোগ্য হয়েছে।

বিশেষ করে, মিথিলা বাংলার ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি পরিধান করে মঞ্চে উপস্থিত হন। তার পছন্দের ন্যাশনাল কস্টিউম ছিল সাদা জামদানি, যার মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার অনন্য মোটিফশোভিত। এই পোশাকের মাধ্যমে তিনি দেশের ঐতিহ্য ও নানা ইতিহাসের ধারক বাঙালির সংস্কৃতি বিশ্বদর্শনার সামনে তুলে ধরেছেন। মিথিলা নিজে এই পোশাকের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তিনি আরও বিস্তারিত তুলে ধরেন, কেমন ছিল পুরো লুক ও উপস্থাপনা।

তিনি লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে আমার ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরা ছিল। এটি বাংলার রাজকীয় ইতিহাসের জীবন্ত ঐতিহ্য।’

গত বুধবার তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই জানাতে চাই, আমি মনে করি সবাই পছন্দ করেছেন। আমার জন্য এই পোশাক নির্বাচন করেছি যাতে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারি। আমি খুব খুশি কারণ আমি মনে করি, আমার পারফরম্যান্সও সবাই প্রশংসা করছে।’

আর বলছেন, ‘স্টেজ থেকে নামার মুহূর্তে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। তখন আমি বুঝতে পারি, নিজের দেশকে উপস্থাপন করতে কত সাহস ও শক্তির প্রয়োজন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। যখন এই মুহূর্তে আসি, তখনই উপলব্ধি করি, নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় গর্বের’। এই অনুভূতি সকলের জন্যই খুবই স্পর্শকাতর ও অনুপ্রেরণাদায়ক।