০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

স্টেজ থেকে নামার পর আমি খুব কেঁদে ফেলেছি: মিথিলা

থাইল্যান্ডে চলছে বিশ্বের प्रतिष्ठিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এই মহোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজকের দিনটিতে জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে চলেছে এই বছরের মিস ইউনিভার্স ২০২৫ এর মুকুট।

প্রতিযোগিতা শুরুর দিন থেকেই প্রতিযোগীদের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বুধবার বিশ্বজুড়ে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের দেশের জাতীয় পোশাক পরিধান করে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন। একই দিনে, মিথিলা নিজের ন্যাশনাল কস্টিউমের ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন, যা দর্শকদের দারুণ উপভোগ্য হয়েছে।

বিশেষ করে, মিথিলা বাংলার ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি পরিধান করে মঞ্চে উপস্থিত হন। তার পছন্দের ন্যাশনাল কস্টিউম ছিল সাদা জামদানি, যার মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার অনন্য মোটিফশোভিত। এই পোশাকের মাধ্যমে তিনি দেশের ঐতিহ্য ও নানা ইতিহাসের ধারক বাঙালির সংস্কৃতি বিশ্বদর্শনার সামনে তুলে ধরেছেন। মিথিলা নিজে এই পোশাকের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তিনি আরও বিস্তারিত তুলে ধরেন, কেমন ছিল পুরো লুক ও উপস্থাপনা।

তিনি লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে আমার ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরা ছিল। এটি বাংলার রাজকীয় ইতিহাসের জীবন্ত ঐতিহ্য।’

গত বুধবার তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই জানাতে চাই, আমি মনে করি সবাই পছন্দ করেছেন। আমার জন্য এই পোশাক নির্বাচন করেছি যাতে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারি। আমি খুব খুশি কারণ আমি মনে করি, আমার পারফরম্যান্সও সবাই প্রশংসা করছে।’

আর বলছেন, ‘স্টেজ থেকে নামার মুহূর্তে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। তখন আমি বুঝতে পারি, নিজের দেশকে উপস্থাপন করতে কত সাহস ও শক্তির প্রয়োজন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। যখন এই মুহূর্তে আসি, তখনই উপলব্ধি করি, নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় গর্বের’। এই অনুভূতি সকলের জন্যই খুবই স্পর্শকাতর ও অনুপ্রেরণাদায়ক।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

স্টেজ থেকে নামার পর আমি খুব কেঁদে ফেলেছি: মিথিলা

প্রকাশিতঃ ০১:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে চলছে বিশ্বের प्रतिष्ठিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এই মহোৎসবে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি, মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজকের দিনটিতে জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে চলেছে এই বছরের মিস ইউনিভার্স ২০২৫ এর মুকুট।

প্রতিযোগিতা শুরুর দিন থেকেই প্রতিযোগীদের নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বুধবার বিশ্বজুড়ে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীরা তাদের দেশের জাতীয় পোশাক পরিধান করে নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেছেন। একই দিনে, মিথিলা নিজের ন্যাশনাল কস্টিউমের ছবিগুলো সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন, যা দর্শকদের দারুণ উপভোগ্য হয়েছে।

বিশেষ করে, মিথিলা বাংলার ঐতিহ্যবাহী শাড়ি, জামদানি পরিধান করে মঞ্চে উপস্থিত হন। তার পছন্দের ন্যাশনাল কস্টিউম ছিল সাদা জামদানি, যার মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার অনন্য মোটিফশোভিত। এই পোশাকের মাধ্যমে তিনি দেশের ঐতিহ্য ও নানা ইতিহাসের ধারক বাঙালির সংস্কৃতি বিশ্বদর্শনার সামনে তুলে ধরেছেন। মিথিলা নিজে এই পোশাকের ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ন্যাশনাল কস্টিউম—‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তিনি আরও বিস্তারিত তুলে ধরেন, কেমন ছিল পুরো লুক ও উপস্থাপনা।

তিনি লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে আমার ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরা ছিল। এটি বাংলার রাজকীয় ইতিহাসের জীবন্ত ঐতিহ্য।’

গত বুধবার তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগলো সবাই জানাতে চাই, আমি মনে করি সবাই পছন্দ করেছেন। আমার জন্য এই পোশাক নির্বাচন করেছি যাতে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারি। আমি খুব খুশি কারণ আমি মনে করি, আমার পারফরম্যান্সও সবাই প্রশংসা করছে।’

আর বলছেন, ‘স্টেজ থেকে নামার মুহূর্তে আমি খুব আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। তখন আমি বুঝতে পারি, নিজের দেশকে উপস্থাপন করতে কত সাহস ও শক্তির প্রয়োজন। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা দুষ্কর। যখন এই মুহূর্তে আসি, তখনই উপলব্ধি করি, নিজের দেশের প্রতিনিধিত্ব করা কত বড় গর্বের’। এই অনুভূতি সকলের জন্যই খুবই স্পর্শকাতর ও অনুপ্রেরণাদায়ক।