০৭:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টেজ থেকে নামার পর অনেক কাঁদলেন মিথিলা

থাইল্যান্ডে চলমান হচ্ছে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এতে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ সন্ধ্যায় জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর খেতাব।

প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিযোগীর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। গত বুধবার, বিশ্ববিখ্যাত ১২১ দেশের প্রতিযোগীরা নিজেদের দেশের ন্যাশনাল কস্টিউম পরিহিত অবস্থায় হাঁটেছেন মঞ্চে। এর কিছুক্ষণ আগে, মিথিলা তার ন্যাশনাল কস্টিউমের লুকের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য মিথিলা বেছে নিয়েছেন দেশের প্রধান পোশাক শাড়ি। তিনি বিশেষ করে সাদা জামদানি পরেছেন, যাতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ফুটে উঠেছে। এই জামদানির মোটিফে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ছবি। তানজিয়া জামান লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম — ‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তার এই লুকের বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেছেন: ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’র জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মঞ্চে ন্যাশনাল কস্টিউম পরার জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরে রয়েছি; এটি বাংলার রাজপ্রাসাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

গত বুধবার বিকেলে ফেসবুকে এক লাইভে মিথিলা বলছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগছে সবাইকে? আশা করি সবাই পছন্দ করেছেন, মন থেকে ভালো লেগেছে। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে এই পোশাকটাই বেছে নিয়েছি। আমার মনে হয়, ন্যাশনাল কস্টিউমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অন্য রকমভাবে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমি খুব খুশি, কারণ আমার পারফরম্যান্সও খুব ভালো হয়েছে এবং সবাই প্রশংসা করেছে।

স্টেজ থেকে নামার সময় মন ভরে গেছে আবেগে। অনেক কাঁদতে মন চাচ্ছে। এই অনুভূতি সত্যিই প্রকাশের মতো নয়। মঞ্চে থাকাকালে এবং নিজের দেশকে উপস্থাপন করার জন্য যে সাহস এবং শক্তি দরকার, সেটি তখনই বোঝা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

স্টেজ থেকে নামার পর অনেক কাঁদলেন মিথিলা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে চলমান হচ্ছে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এতে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ সন্ধ্যায় জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর খেতাব।

প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিযোগীর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। গত বুধবার, বিশ্ববিখ্যাত ১২১ দেশের প্রতিযোগীরা নিজেদের দেশের ন্যাশনাল কস্টিউম পরিহিত অবস্থায় হাঁটেছেন মঞ্চে। এর কিছুক্ষণ আগে, মিথিলা তার ন্যাশনাল কস্টিউমের লুকের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য মিথিলা বেছে নিয়েছেন দেশের প্রধান পোশাক শাড়ি। তিনি বিশেষ করে সাদা জামদানি পরেছেন, যাতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ফুটে উঠেছে। এই জামদানির মোটিফে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ছবি। তানজিয়া জামান লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম — ‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তার এই লুকের বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেছেন: ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’র জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মঞ্চে ন্যাশনাল কস্টিউম পরার জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরে রয়েছি; এটি বাংলার রাজপ্রাসাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

গত বুধবার বিকেলে ফেসবুকে এক লাইভে মিথিলা বলছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগছে সবাইকে? আশা করি সবাই পছন্দ করেছেন, মন থেকে ভালো লেগেছে। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে এই পোশাকটাই বেছে নিয়েছি। আমার মনে হয়, ন্যাশনাল কস্টিউমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অন্য রকমভাবে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমি খুব খুশি, কারণ আমার পারফরম্যান্সও খুব ভালো হয়েছে এবং সবাই প্রশংসা করেছে।

স্টেজ থেকে নামার সময় মন ভরে গেছে আবেগে। অনেক কাঁদতে মন চাচ্ছে। এই অনুভূতি সত্যিই প্রকাশের মতো নয়। মঞ্চে থাকাকালে এবং নিজের দেশকে উপস্থাপন করার জন্য যে সাহস এবং শক্তি দরকার, সেটি তখনই বোঝা যায়।