০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

স্টেজ থেকে নামার পর অনেক কাঁদলেন মিথিলা

থাইল্যান্ডে চলমান হচ্ছে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এতে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ সন্ধ্যায় জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর খেতাব।

প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিযোগীর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। গত বুধবার, বিশ্ববিখ্যাত ১২১ দেশের প্রতিযোগীরা নিজেদের দেশের ন্যাশনাল কস্টিউম পরিহিত অবস্থায় হাঁটেছেন মঞ্চে। এর কিছুক্ষণ আগে, মিথিলা তার ন্যাশনাল কস্টিউমের লুকের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য মিথিলা বেছে নিয়েছেন দেশের প্রধান পোশাক শাড়ি। তিনি বিশেষ করে সাদা জামদানি পরেছেন, যাতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ফুটে উঠেছে। এই জামদানির মোটিফে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ছবি। তানজিয়া জামান লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম — ‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তার এই লুকের বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেছেন: ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’র জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মঞ্চে ন্যাশনাল কস্টিউম পরার জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরে রয়েছি; এটি বাংলার রাজপ্রাসাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

গত বুধবার বিকেলে ফেসবুকে এক লাইভে মিথিলা বলছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগছে সবাইকে? আশা করি সবাই পছন্দ করেছেন, মন থেকে ভালো লেগেছে। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে এই পোশাকটাই বেছে নিয়েছি। আমার মনে হয়, ন্যাশনাল কস্টিউমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অন্য রকমভাবে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমি খুব খুশি, কারণ আমার পারফরম্যান্সও খুব ভালো হয়েছে এবং সবাই প্রশংসা করেছে।

স্টেজ থেকে নামার সময় মন ভরে গেছে আবেগে। অনেক কাঁদতে মন চাচ্ছে। এই অনুভূতি সত্যিই প্রকাশের মতো নয়। মঞ্চে থাকাকালে এবং নিজের দেশকে উপস্থাপন করার জন্য যে সাহস এবং শক্তি দরকার, সেটি তখনই বোঝা যায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

স্টেজ থেকে নামার পর অনেক কাঁদলেন মিথিলা

প্রকাশিতঃ ১১:৫৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে চলমান হচ্ছে বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। এতে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বশীল মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। আজ সন্ধ্যায় জানা যাবে, কার মাথায় উঠতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এর খেতাব।

প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রতিযোগীর জন্য নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। গত বুধবার, বিশ্ববিখ্যাত ১২১ দেশের প্রতিযোগীরা নিজেদের দেশের ন্যাশনাল কস্টিউম পরিহিত অবস্থায় হাঁটেছেন মঞ্চে। এর কিছুক্ষণ আগে, মিথিলা তার ন্যাশনাল কস্টিউমের লুকের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন।

বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ঐতিহ্যকে তুলে ধরার জন্য মিথিলা বেছে নিয়েছেন দেশের প্রধান পোশাক শাড়ি। তিনি বিশেষ করে সাদা জামদানি পরেছেন, যাতে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ফুটে উঠেছে। এই জামদানির মোটিফে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলার ছবি। তানজিয়া জামান লিখেছেন, ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের ন্যাশনাল কস্টিউম — ‘দ্য কুইন অব বেঙ্গল’। তার এই লুকের বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেছেন: ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’র জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মঞ্চে ন্যাশনাল কস্টিউম পরার জন্য আমি ঐতিহ্যবাহী জামদানি পরে রয়েছি; এটি বাংলার রাজপ্রাসাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, যা বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

গত বুধবার বিকেলে ফেসবুকে এক লাইভে মিথিলা বলছিলেন, ‘ন্যাশনাল কস্টিউম কেমন লাগছে সবাইকে? আশা করি সবাই পছন্দ করেছেন, মন থেকে ভালো লেগেছে। বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে এই পোশাকটাই বেছে নিয়েছি। আমার মনে হয়, ন্যাশনাল কস্টিউমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অন্য রকমভাবে বিশ্ববাসীর সামনে উপস্থাপন করতে পেরেছি। আমি খুব খুশি, কারণ আমার পারফরম্যান্সও খুব ভালো হয়েছে এবং সবাই প্রশংসা করেছে।

স্টেজ থেকে নামার সময় মন ভরে গেছে আবেগে। অনেক কাঁদতে মন চাচ্ছে। এই অনুভূতি সত্যিই প্রকাশের মতো নয়। মঞ্চে থাকাকালে এবং নিজের দেশকে উপস্থাপন করার জন্য যে সাহস এবং শক্তি দরকার, সেটি তখনই বোঝা যায়।