০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন, কমলো লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশে শেয়ারবাজারের জন্য একটি উদ্বেগজনক দিন ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন ও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দিনের শুরুতে বাজার কিছুটা উর্ধ্বমুখী থাকলেও দ্রুতেই বিক্রির চাপ বারের কারণে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম পিছিয়ে যায়। এত সব ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনেই শেয়ারবাজারে এ নেতিবাচক প্রবণতা দৃশ্যমান হয়।

ডিএসইর বিষয়গুলো যদি দেখা হয়, তবে দেখা যায়, লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ৪৮টির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ২৯২টির দাম কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দরপতনের প্রভাব পড়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের উপর, যা ৪২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একইভাবে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট নেমে ১ হাজার ১৬০ পয়েন্টে এবং বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ১৮৭৭ পয়েন্টে এসেছে।

শেয়ারবাজারের দিক থেকে টাকা লেনদেনের মোট পরিমাণও কমেছে। সোমবার মোট লেনদেন হয়েছে ৪১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম। শীর্ষে ছিল সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে মোট ১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে। এরপর আন্দোলনে রয়েছে সায়হান কটন ও ফাইন ফুডস।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বিভিন্ন সূচকের পতন লক্ষ্য করা গেছে। সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে, এবং সেখানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এই লেনদেনের মধ্যে, ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টিরই মূল্য কমেছে। এদিনের এই পরিস্থিতি প্রত্যেক বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় কারণ বাজারের চলমান ধারা এখনও অস্থির।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন, কমলো লেনদেন

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশে শেয়ারবাজারের জন্য একটি উদ্বেগজনক দিন ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন ও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দিনের শুরুতে বাজার কিছুটা উর্ধ্বমুখী থাকলেও দ্রুতেই বিক্রির চাপ বারের কারণে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম পিছিয়ে যায়। এত সব ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনেই শেয়ারবাজারে এ নেতিবাচক প্রবণতা দৃশ্যমান হয়।

ডিএসইর বিষয়গুলো যদি দেখা হয়, তবে দেখা যায়, লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ৪৮টির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ২৯২টির দাম কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দরপতনের প্রভাব পড়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের উপর, যা ৪২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একইভাবে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট নেমে ১ হাজার ১৬০ পয়েন্টে এবং বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ১৮৭৭ পয়েন্টে এসেছে।

শেয়ারবাজারের দিক থেকে টাকা লেনদেনের মোট পরিমাণও কমেছে। সোমবার মোট লেনদেন হয়েছে ৪১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম। শীর্ষে ছিল সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে মোট ১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে। এরপর আন্দোলনে রয়েছে সায়হান কটন ও ফাইন ফুডস।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বিভিন্ন সূচকের পতন লক্ষ্য করা গেছে। সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে, এবং সেখানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এই লেনদেনের মধ্যে, ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টিরই মূল্য কমেছে। এদিনের এই পরিস্থিতি প্রত্যেক বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় কারণ বাজারের চলমান ধারা এখনও অস্থির।