০৫:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেতন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাকছুদুরের পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করলেন নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি আইন অনুমোদন: আসিফ নজরুল আজও শিক্ষার্থীদের অবরোধ: রাজধানীতে অচলাবস্থা ও জনভোগান্তি ঢাকা ওয়াশিংটনের সাথে মার্কিন ভিসা স্থগিতের বিষয়ে যোগাযোগ করছে খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব উপমহাদেশে এক অনন্য দৃষ্টান্ত: মার্শা বার্নিকাট প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান: তরুণদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলুন অনলাইনে প্রতারণা: ঢাকায় ৫ চীনা নাগরিকসহ গ্রেপ্তার ৮, জব্দ ৫১ হাজার সিম প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচন কেন্দ্রিক ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়ে আবেদন আগামীকাল থেকে আবারও শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা: উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন, কমলো লেনদেন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশে শেয়ারবাজারের জন্য একটি উদ্বেগজনক দিন ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন ও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দিনের শুরুতে বাজার কিছুটা উর্ধ্বমুখী থাকলেও দ্রুতেই বিক্রির চাপ বারের কারণে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম পিছিয়ে যায়। এত সব ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনেই শেয়ারবাজারে এ নেতিবাচক প্রবণতা দৃশ্যমান হয়।

ডিএসইর বিষয়গুলো যদি দেখা হয়, তবে দেখা যায়, লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ৪৮টির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ২৯২টির দাম কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দরপতনের প্রভাব পড়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের উপর, যা ৪২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একইভাবে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট নেমে ১ হাজার ১৬০ পয়েন্টে এবং বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ১৮৭৭ পয়েন্টে এসেছে।

শেয়ারবাজারের দিক থেকে টাকা লেনদেনের মোট পরিমাণও কমেছে। সোমবার মোট লেনদেন হয়েছে ৪১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম। শীর্ষে ছিল সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে মোট ১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে। এরপর আন্দোলনে রয়েছে সায়হান কটন ও ফাইন ফুডস।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বিভিন্ন সূচকের পতন লক্ষ্য করা গেছে। সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে, এবং সেখানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এই লেনদেনের মধ্যে, ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টিরই মূল্য কমেছে। এদিনের এই পরিস্থিতি প্রত্যেক বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় কারণ বাজারের চলমান ধারা এখনও অস্থির।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

শেরপুরে বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার সিদ্ধান্ত

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসেও শেয়ারবাজারে দরপতন, কমলো লেনদেন

প্রকাশিতঃ ১১:৫১:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেশে শেয়ারবাজারের জন্য একটি উদ্বেগজনক দিন ছিল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের পতন ও লেনদেনের পরিমাণ কমে যাওয়ায় বাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। দিনের শুরুতে বাজার কিছুটা উর্ধ্বমুখী থাকলেও দ্রুতেই বিক্রির চাপ বারের কারণে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম পিছিয়ে যায়। এত সব ঘটনার মধ্য দিয়ে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনেই শেয়ারবাজারে এ নেতিবাচক প্রবণতা দৃশ্যমান হয়।

ডিএসইর বিষয়গুলো যদি দেখা হয়, তবে দেখা যায়, লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে মাত্র ৪৮টির দাম বেড়েছে, অন্যদিকে ২৯২টির দাম কমেছে এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই দরপতনের প্রভাব পড়েছে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের উপর, যা ৪২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৮৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। একইভাবে, ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট নেমে ১ হাজার ১৬০ পয়েন্টে এবং বাছাই করা ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে ১৮৭৭ পয়েন্টে এসেছে।

শেয়ারবাজারের দিক থেকে টাকা লেনদেনের মোট পরিমাণও কমেছে। সোমবার মোট লেনদেন হয়েছে ৪১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা কম। শীর্ষে ছিল সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, যেখানে মোট ১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার কেনা-বেচা হয়েছে। এরপর আন্দোলনে রয়েছে সায়হান কটন ও ফাইন ফুডস।

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও বিভিন্ন সূচকের পতন লক্ষ্য করা গেছে। সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ৭৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে, এবং সেখানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এই লেনদেনের মধ্যে, ১৬১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টিরই মূল্য কমেছে। এদিনের এই পরিস্থিতি প্রত্যেক বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় কারণ বাজারের চলমান ধারা এখনও অস্থির।