০৫:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

সুপার ওভারের উত্তেজনায় জয়ী রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

সিলেটে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এই ম্যাচটি বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটে যখন নির্ধারিত ২০ ওভারে উভয় দলই সমান ১৫৯ রান করে, ফলে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে। রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মধ্যে এই বিশেষ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। শেষ বলে রংপুরের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ এক রান নিতে ব্যর্থ হলে ম্যাচটি ড্র হয়, যা দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়৷

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সাহিবজাদা ফারহান করেন সর্বোচ্চ ৬৫ রান, আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৪১ রান। রংপুরের বোলার ফাহিম আশরাফ দুর্দান্ত বোলিং করে ৩ উইকেট শিকার করেন। লক্ষ্য অর্জনের জন্য খেলতে নেমে রংপুরও ৬ উইকেটে ১৫৯ রানের সমান স্কোর করে। দাভিদ মালান অপরাজিত থাকেন ৬৩ রানে, তবে দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি। তবুও হৃদয়ের ৫৩ রানের ইনিংসটি হারের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে এসএম মেহরব হাসান ও রিপন মন্ডল প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন, রংপুরের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামায়।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে রংপুর মাত্র ৬ রান করে। রাজশাহীর তরুণ বোলার রিপন মন্ডল অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে রংপুরের ব্যাটারদের দমন করেন। ৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর তানজিদ হাসান তামিম অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান। মোস্তাফিজুর রহমানের প্রথম তিন বলে তিনি যথাক্রমে চার, দুই ও চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য রিপন মন্ডল ম্যাচসেরার পুরস্কার লাভ করেন।

অবিশ্বাস্য এই বিজয় শেষে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড় ও স্টাফদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করে। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, দলের এই অসাধারণ সাফল্যে অবদান রাখা খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সাপোর্ট স্টাফসহ প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। এছাড়া, ব্যক্তিগত পারদর্শিতার জন্য বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়, যেখানে ম্যাচসেরার রিপন মন্ডল পেয়েছেন ১ লাখ টাকা, এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এসএম মেহরব হাসান ও সাহিবজাদা ফারহান, প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকা করে। এই জয়ের ফলে বিপিএল পয়েন্ট টেবিলে রাজশাহী নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করে তুলল।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

সুপার ওভারের উত্তেজনায় জয়ী রাজশাহী ওয়ারিয়র্স

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

সিলেটে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ইতিহাসে এক রোমাঞ্চকর মুহূর্তের সাক্ষী থাকলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এই ম্যাচটি বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটে যখন নির্ধারিত ২০ ওভারে উভয় দলই সমান ১৫৯ রান করে, ফলে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে। রংপুর রাইডার্স ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মধ্যে এই বিশেষ ম্যাচের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। শেষ বলে রংপুরের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহ এক রান নিতে ব্যর্থ হলে ম্যাচটি ড্র হয়, যা দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়৷

রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে। দলের পক্ষে সাহিবজাদা ফারহান করেন সর্বোচ্চ ৬৫ রান, আর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন ৪১ রান। রংপুরের বোলার ফাহিম আশরাফ দুর্দান্ত বোলিং করে ৩ উইকেট শিকার করেন। লক্ষ্য অর্জনের জন্য খেলতে নেমে রংপুরও ৬ উইকেটে ১৫৯ রানের সমান স্কোর করে। দাভিদ মালান অপরাজিত থাকেন ৬৩ রানে, তবে দলের জয় নিশ্চিত করতে পারেননি। তবুও হৃদয়ের ৫৩ রানের ইনিংসটি হারের ব্যবধান কমাতে সাহায্য করে। রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে এসএম মেহরব হাসান ও রিপন মন্ডল প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট নেন, রংপুরের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামায়।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে রংপুর মাত্র ৬ রান করে। রাজশাহীর তরুণ বোলার রিপন মন্ডল অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে রংপুরের ব্যাটারদের দমন করেন। ৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহীর তানজিদ হাসান তামিম অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখান। মোস্তাফিজুর রহমানের প্রথম তিন বলে তিনি যথাক্রমে চার, দুই ও চার মেরে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য রিপন মন্ডল ম্যাচসেরার পুরস্কার লাভ করেন।

অবিশ্বাস্য এই বিজয় শেষে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স টিম ম্যানেজমেন্ট খেলোয়াড় ও স্টাফদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করে। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, দলের এই অসাধারণ সাফল্যে অবদান রাখা খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং সাপোর্ট স্টাফসহ প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে বোনাস দেওয়া হবে। এছাড়া, ব্যক্তিগত পারদর্শিতার জন্য বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়, যেখানে ম্যাচসেরার রিপন মন্ডল পেয়েছেন ১ লাখ টাকা, এবং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন এসএম মেহরব হাসান ও সাহিবজাদা ফারহান, প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকা করে। এই জয়ের ফলে বিপিএল পয়েন্ট টেবিলে রাজশাহী নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করে তুলল।