০৮:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

মাইকেল ক্যারিকের রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে সিটিকে ২-০ গোলে হারালো ইউনাইটেড

ওল্ড ট্রাফোর্ডে মাইকেল ক্যারিকের দ্বিতীয় অধ্যায়ের শুরুটা সত্যিই ছিল জাদুকরী। শনিবার নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে ডার্বি জয়ে আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিয়েυνα্য়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ডানপ্রান্তের এই প্রাক্তন তারকা তার কোচিং ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন, যেখানে তিনি রেড ডেভিলদের জন্য এক অসাধারণ ম্যাচ উপহার দিয়েছেন। ম্যাচে ব্রায়ান এমবুয়েমো এবং প্যাট্রিক দরগু তাদের নিখুঁত শটে গোল করে সিটির বিশাল রক্ষণ কাঠামোকে ভেঙে দেন। এই জয়ের ফলে, আর্সেনালের সঙ্গে লিগের শীর্ষ স্পষ্ট হওয়ার আগেই সিটির স্বপ্ন ধ্বংস হলো, আর বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেয়েছে।

মাঠের প্রথমার্ধে ইউনাইটেডের আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। যদিও প্রথমার্ধে গোল হয়নি, তবে আক্রমণাত্মক ফুটবলে তারা সিটিকে কোণঠাসা করে রেখেছিল। সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তাদের চাপ সামাল দিয়েছেন। তবে ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে সেই সুরম্য প্রতিরক্ষা ভেঙে দেয় ব্রায়ান এমবুয়েমো, যিনি অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত একটি পরিস্থিতি থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

সেই গোলের মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে, আবারও ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে গোল হয়। গোলের সুযোগ কাজে লাগান প্যাট্রিক দরগু, যিনি রিকো লুইসের ভুলের সুযোগ নিয়ে সফল হয়েছেন। তবে ইউনাইটেডের জন্য দুঃখের বিষয়, তাদের তিনটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয় এবং দিয়ালোর একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এই পরিস্থিতিতে স্কোরলাইন হয়তো ৫-০ তো হতেই পারত, যদি না বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত ভিএআর দ্বারা পরিবর্তিত হয়। অন্যদিকে, সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড একদম নিষ্ক্রিয় ছিলেন। শেষের দিকে তাকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, আর তখনই ইউনাইটেড সমর্থকদের টিটকারিতে মুখোমুখি হন তিনি। সম্প্রতি প্রথমে ফর্মে থাকার পরও, হলান্ডের ফর্মহীনতা সিটির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই জয়ের ফলে ওল্ড ট্রাফোর্ডের গ্যালারিতে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ভিআইপি বক্সে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের হাসি এবং কোচ ক্যারিকের উল্লাস সেটি বোঝাচ্ছে যে, সুদিন আবার ফিরছে। অন্যদিকে, শিরোপার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল সিটি। তারা যদি আগামী ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্টকে হারাতে সক্ষম হয়, তাহলে শীর্ষে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান বাড়বে, যা শিরোপা ধরে রাখার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। এই ফলাফল নিশ্চিতভাবে ইংলিশ ফুটবলের গল্পে এক নতুন মোড় এনেছে, যেখানে ইউনাইটেড তাদের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এক জয়োজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

মাইকেল ক্যারিকের রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে সিটিকে ২-০ গোলে হারালো ইউনাইটেড

প্রকাশিতঃ ১১:৫২:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ওল্ড ট্রাফোর্ডে মাইকেল ক্যারিকের দ্বিতীয় অধ্যায়ের শুরুটা সত্যিই ছিল জাদুকরী। শনিবার নগরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার সিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে ডার্বি জয়ে আত্মবিশ্বাসের বার্তা দিয়েυνα্য়। এই জয়ের মধ্য দিয়ে ডানপ্রান্তের এই প্রাক্তন তারকা তার কোচিং ক্যারিয়ারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন, যেখানে তিনি রেড ডেভিলদের জন্য এক অসাধারণ ম্যাচ উপহার দিয়েছেন। ম্যাচে ব্রায়ান এমবুয়েমো এবং প্যাট্রিক দরগু তাদের নিখুঁত শটে গোল করে সিটির বিশাল রক্ষণ কাঠামোকে ভেঙে দেন। এই জয়ের ফলে, আর্সেনালের সঙ্গে লিগের শীর্ষ স্পষ্ট হওয়ার আগেই সিটির স্বপ্ন ধ্বংস হলো, আর বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নে বড় ধাক্কা খেয়েছে।

মাঠের প্রথমার্ধে ইউনাইটেডের আধিপত্য স্পষ্ট ছিল। যদিও প্রথমার্ধে গোল হয়নি, তবে আক্রমণাত্মক ফুটবলে তারা সিটিকে কোণঠাসা করে রেখেছিল। সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে তাদের চাপ সামাল দিয়েছেন। তবে ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে সেই সুরম্য প্রতিরক্ষা ভেঙে দেয় ব্রায়ান এমবুয়েমো, যিনি অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজের দুর্দান্ত একটি পরিস্থিতি থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে দলের জয় নিশ্চিত করেন।

সেই গোলের মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে, আবারও ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে গোল হয়। গোলের সুযোগ কাজে লাগান প্যাট্রিক দরগু, যিনি রিকো লুইসের ভুলের সুযোগ নিয়ে সফল হয়েছেন। তবে ইউনাইটেডের জন্য দুঃখের বিষয়, তাদের তিনটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয় এবং দিয়ালোর একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এই পরিস্থিতিতে স্কোরলাইন হয়তো ৫-০ তো হতেই পারত, যদি না বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত ভিএআর দ্বারা পরিবর্তিত হয়। অন্যদিকে, সিটির স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড একদম নিষ্ক্রিয় ছিলেন। শেষের দিকে তাকে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়, আর তখনই ইউনাইটেড সমর্থকদের টিটকারিতে মুখোমুখি হন তিনি। সম্প্রতি প্রথমে ফর্মে থাকার পরও, হলান্ডের ফর্মহীনতা সিটির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই জয়ের ফলে ওল্ড ট্রাফোর্ডের গ্যালারিতে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ভিআইপি বক্সে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের হাসি এবং কোচ ক্যারিকের উল্লাস সেটি বোঝাচ্ছে যে, সুদিন আবার ফিরছে। অন্যদিকে, শিরোপার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ল সিটি। তারা যদি আগামী ম্যাচে নটিংহাম ফরেস্টকে হারাতে সক্ষম হয়, তাহলে শীর্ষে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান বাড়বে, যা শিরোপা ধরে রাখার জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। এই ফলাফল নিশ্চিতভাবে ইংলিশ ফুটবলের গল্পে এক নতুন মোড় এনেছে, যেখানে ইউনাইটেড তাদের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এক জয়োজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে।