০৯:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

নেটফ্লিক্সে টপে পৌঁছেছে ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’: এক বেদনাদায়ক ডিজাস্টার থ্রিলার

ওটিটি জগতের অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ান পরিচাল Keith Bae Yong-woo কলাকৌশলে নির্মিত সিনেমা ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’ এখন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর এই সিনেমার মুক্তির পর থেকে এটি নেটফ্লিক্সের বিদেশি ভাষার সিনেমার তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। গল্পটি revolves around এক বিধ্বংসী বন্যার কবলে পড়ে থাকা সিউল শহর এবং কয়েকজন মানুষের বেঁচে থাকার প্রাণান্তকর সংগ্রামের গল্প, যা দর্শকদের হৃদয় জয় করেছে। সমালোচকদের মতে, এটি গত বছরের অন্যতম সেরা ডিজাস্টার থ্রিলার সিনেমা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্ররা হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিম দা-মি এবং পার্ক হ্য-সু। গল্প অনুযায়ী, গুণ-আন-না (কিম দা-মি) ও সন হে-জু (পার্ক হ্য-সু) একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগারে আটকা পড়েছেন। সামনের দিনগুলোতে ক্রমশ বাড়তে থাকা পানির স্তরের সঙ্গে পিজিট করে থাকতে থাকতে, তাদের এই বিপর্যয় থেকে বাঁচার জন্য জীবনবাজির মরণপণ সংগ্রাম শুরু হয়। এই দৃশ্যটি প্রযুক্তি ও প্রকৃতির সংঘর্ষের মাধ্যমে সিনেমাটিকে এক ভিন্ন ও গভীর মাত্রা দিয়েছে।

পরিচালক কিম বায়ং-উ এই সিনেমায় পানির দ্বৈত রূপ অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বলেন, পানি জীবনের উৎস; মানুষের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও একই সঙ্গে এটি ধ্বংসের প্রতীক। সিনেমার শুরুতে পানি কেবল বিপর্যয় হিসেবে দেখানো হলেও, গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তার অর্থ ও তাৎপর্য বদলে যায়। প্রকৃতি ও মানুষের অসহায়ত্বের মধ্যে এই দ্বন্দ্বকে দক্ষতার সঙ্গে পর্দায় তুলে ধরেছেন তিনি।

অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সিনেমার শুটিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা কৌতূহল ও সংশয় ছিল। কিম দা-মি জানান, প্রথম চিত্রনাট্য পড়ার সময় দৃশ্যগুলো কল্পনা করা কিছুটা কঠিন ছিল এবং কেমন করে এগুলো বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা যাবে এ নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। তবে নির্মাতাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। অন্যদিকে পার্ক হ্য-সু বলেছেন, চিত্রনাট্য পড়ার সময় তিনি ভাবছিলেন, কীভাবে প্রকৃতির এই বিশাল পরিবর্তন দর্শকদের কাছে বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব। এই আগ্রহই তাকে সিনেমার সঙ্গে যুক্ত করতে উৎসাহিত করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে, সিনেমার দৃশ্যগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনয়শিল্পীদের দীর্ঘ এবং কঠোর প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। বিশেষত, সিনেমার বেশিরভাগ দৃশ্য জলমগ্ন, তাই তাদের মাসের পর মাস প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে স্কুবা ডাইভিং ও সাঁতার কাটা শিখে। এই কঠোর পরিশ্রম ও নির্মাতাদের দক্ষ পরিচালনার ফলেই আজ ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’ বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পেয়েছে এবং দর্শকদের মন জয় করছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

নেটফ্লিক্সে টপে পৌঁছেছে ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’: এক বেদনাদায়ক ডিজাস্টার থ্রিলার

প্রকাশিতঃ ১১:৫৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ওটিটি জগতের অন্যতম জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর থেকেই দক্ষিণ কোরিয়ান পরিচাল Keith Bae Yong-woo কলাকৌশলে নির্মিত সিনেমা ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’ এখন দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। ১৯ ডিসেম্বর এই সিনেমার মুক্তির পর থেকে এটি নেটফ্লিক্সের বিদেশি ভাষার সিনেমার তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। গল্পটি revolves around এক বিধ্বংসী বন্যার কবলে পড়ে থাকা সিউল শহর এবং কয়েকজন মানুষের বেঁচে থাকার প্রাণান্তকর সংগ্রামের গল্প, যা দর্শকদের হৃদয় জয় করেছে। সমালোচকদের মতে, এটি গত বছরের অন্যতম সেরা ডিজাস্টার থ্রিলার সিনেমা হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্ররা হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কিম দা-মি এবং পার্ক হ্য-সু। গল্প অনুযায়ী, গুণ-আন-না (কিম দা-মি) ও সন হে-জু (পার্ক হ্য-সু) একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগারে আটকা পড়েছেন। সামনের দিনগুলোতে ক্রমশ বাড়তে থাকা পানির স্তরের সঙ্গে পিজিট করে থাকতে থাকতে, তাদের এই বিপর্যয় থেকে বাঁচার জন্য জীবনবাজির মরণপণ সংগ্রাম শুরু হয়। এই দৃশ্যটি প্রযুক্তি ও প্রকৃতির সংঘর্ষের মাধ্যমে সিনেমাটিকে এক ভিন্ন ও গভীর মাত্রা দিয়েছে।

পরিচালক কিম বায়ং-উ এই সিনেমায় পানির দ্বৈত রূপ অত্যন্ত সুচারুভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তিনি বলেন, পানি জীবনের উৎস; মানুষের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও একই সঙ্গে এটি ধ্বংসের প্রতীক। সিনেমার শুরুতে পানি কেবল বিপর্যয় হিসেবে দেখানো হলেও, গল্পের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তার অর্থ ও তাৎপর্য বদলে যায়। প্রকৃতি ও মানুষের অসহায়ত্বের মধ্যে এই দ্বন্দ্বকে দক্ষতার সঙ্গে পর্দায় তুলে ধরেছেন তিনি।

অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে সিনেমার শুটিংয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছুটা কৌতূহল ও সংশয় ছিল। কিম দা-মি জানান, প্রথম চিত্রনাট্য পড়ার সময় দৃশ্যগুলো কল্পনা করা কিছুটা কঠিন ছিল এবং কেমন করে এগুলো বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরা যাবে এ নিয়ে তিনি চিন্তিত ছিলেন। তবে নির্মাতাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। অন্যদিকে পার্ক হ্য-সু বলেছেন, চিত্রনাট্য পড়ার সময় তিনি ভাবছিলেন, কীভাবে প্রকৃতির এই বিশাল পরিবর্তন দর্শকদের কাছে বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব। এই আগ্রহই তাকে সিনেমার সঙ্গে যুক্ত করতে উৎসাহিত করেছে।

প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করেছে যে, সিনেমার দৃশ্যগুলোকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অভিনয়শিল্পীদের দীর্ঘ এবং কঠোর প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। বিশেষত, সিনেমার বেশিরভাগ দৃশ্য জলমগ্ন, তাই তাদের মাসের পর মাস প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে স্কুবা ডাইভিং ও সাঁতার কাটা শিখে। এই কঠোর পরিশ্রম ও নির্মাতাদের দক্ষ পরিচালনার ফলেই আজ ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড’ বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পেয়েছে এবং দর্শকদের মন জয় করছে।