০১:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দর এলাকায় হর্ন বাজালে জরিমানা

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর কাছাকাছি এলাকাগুলোতে শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে কঠোর অ্যাকশন নেবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অবস্থান স্পষ্ট করতে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে এসব নির্দিষ্ট ‘নীরব এলাকার’ মধ্যে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি এ নিয়ম লঙ্ঘিত হয়, তবে চালকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেন। জানা যায়, গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে বিমানবন্দরের আশপাশের এক দেড় কিলোমিটার এলাকায়, যেখানে উত্তরা স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে শুরু করে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত অংশ রয়েছে, সেই এলাকাগুলোকে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাও এই বিশেষ পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আইনী provisions অনুসারে, এই এলাকাগুলিতে হর্ন বাজানোর জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা তিন মাসের কারাদণ্ড ধার্য্য করা হয়েছে। ডিএমপি স্পষ্ট জানিয়েছে, ২৫ জানুয়ারির পরে বিমানবন্দরের সড়ক ও পার্কিং এলাকা সহ অন্যান্য স্থানে কোনো ধরনের শব্দদূষণবিরোধী আইন লঙ্ঘন হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তি কার্যকর হবে। অভিযানে প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কারাদণ্ডও কার্যকর হতে পারে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের যানবাহন চালকদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই শব্দদূষণের প্রভাব কমানো এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই কঠোর উদ্যোগের মাধ্যমে অনেকটাই নিশ্চিত করা হবে যে, বিমানবন্দর এলাকা এবং এর আশপাশের পরিবেশ শান্ত ও নিরিবিলি থাকবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিমানবন্দর এলাকায় হর্ন বাজালে জরিমানা

প্রকাশিতঃ ১২:৩৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর কাছাকাছি এলাকাগুলোতে শব্দদূষণ কমানোর লক্ষ্যে কঠোর অ্যাকশন নেবে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অবস্থান স্পষ্ট করতে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে এসব নির্দিষ্ট ‘নীরব এলাকার’ মধ্যে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। যদি এ নিয়ম লঙ্ঘিত হয়, তবে চালকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানা বা শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেন। জানা যায়, গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে বিমানবন্দরের আশপাশের এক দেড় কিলোমিটার এলাকায়, যেখানে উত্তরা স্কলাস্টিকা স্কুল থেকে শুরু করে হোটেল লা মেরিডিয়ান পর্যন্ত অংশ রয়েছে, সেই এলাকাগুলোকে ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকাও এই বিশেষ পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত করে কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আইনী provisions অনুসারে, এই এলাকাগুলিতে হর্ন বাজানোর জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা তিন মাসের কারাদণ্ড ধার্য্য করা হয়েছে। ডিএমপি স্পষ্ট জানিয়েছে, ২৫ জানুয়ারির পরে বিমানবন্দরের সড়ক ও পার্কিং এলাকা সহ অন্যান্য স্থানে কোনো ধরনের শব্দদূষণবিরোধী আইন লঙ্ঘন হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, সিভিল এভিয়েশন ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তি কার্যকর হবে। অভিযানে প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে কারাদণ্ডও কার্যকর হতে পারে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ যথাযথভাবে পালন নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরের যানবাহন চালকদের কাছে বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এই শব্দদূষণের প্রভাব কমানো এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এই কঠোর উদ্যোগের মাধ্যমে অনেকটাই নিশ্চিত করা হবে যে, বিমানবন্দর এলাকা এবং এর আশপাশের পরিবেশ শান্ত ও নিরিবিলি থাকবে।