০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব শিশুদের মানবিক গড়ে তোলায় শিক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এক দিনে বন্ধ হয়ে গেল

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জাপানের কাশি ওয়াজাকী-কারিওয়া কেন্দ্রটি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পুনরায় চালু হলেও মাত্র এক দিনের মধ্যে আবারও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়েছে। রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তরে নিগাতা বন্দরশহরে অবস্থিত এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৪২০ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত। এতে মোট সাতটি পরমাণু চুল্লি রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৮ দশমিক ২ মেগাওয়াট। এই কেন্দ্রটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি বা টেপকো নিয়োজিত। ২০১১ সালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া ফুকোশিমা ট্র্যাজেডির পর এই কেন্দ্রের ৫৪টি পরমাণু চুল্লি ধ্বংস হয় বা বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে এই কেন্দ্রের চুল্লিগুলোরও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিপর্যয়ের প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর বিশেষজ্ঞরা ৩৩টি চুল্লিকে মেরামতযোগ্য বলে ঘোষণা করেছিলেন। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, জাপান সরকারের সিদ্ধান্তে ওই সময় কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। মেরামতের কাজ শেষ করে টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি গত ২১ জানুয়ারি কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করে। তবে সেই পুনরুদ্ধারের আনন্দ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। মাত্র এক দিন পর, ২২ জানুয়ারি, কেন্দ্রীয় ৬ নম্বর চুল্লিতে গুরুতর যান্ত্রিক সমস্যার উপস্থিতি দেখা দেয়। টেপকো কর্তৃপক্ষ তখন উৎপাদন বন্ধ করে দেন। কোম্পানি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, যান্ত্রিক গোলযোগের পাশাপাশি কেন্দ্রের অ্যালার্ম সিস্টেমেও ত্রুটি দেখা গেছে, যা বড় ধরনের বিপদ তৈরির ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারত। পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে টেপকো জানিয়েছে, তারা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং তদন্ত চালাচ্ছে। তবে, কী কারণে এই সমস্যাগুলি দেখা দিল, তা এখনো জানা যায়নি। বর্তমান সময়ে কারিগরি এই সংকটের সমাধানে কাজ চলছে, কিন্তু দৈনন্দিন তথ্য অনুযায়ী, কত দ্রুত কেন্দ্রটি আবার চালু হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করতে পারছেন না কর্মকর্তারা।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বের বৃহত্তম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র এক দিনে বন্ধ হয়ে গেল

প্রকাশিতঃ ১১:৫৫:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত জাপানের কাশি ওয়াজাকী-কারিওয়া কেন্দ্রটি দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পুনরায় চালু হলেও মাত্র এক দিনের মধ্যে আবারও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অচল হয়ে পড়েছে। রাজধানী টোকিও থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার উত্তরে নিগাতা বন্দরশহরে অবস্থিত এই বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৪২০ হেক্টর জমির ওপর নির্মিত। এতে মোট সাতটি পরমাণু চুল্লি রয়েছে, যেগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ৮ দশমিক ২ মেগাওয়াট। এই কেন্দ্রটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি বা টেপকো নিয়োজিত। ২০১১ সালে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া ফুকোশিমা ট্র্যাজেডির পর এই কেন্দ্রের ৫৪টি পরমাণু চুল্লি ধ্বংস হয় বা বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্যে এই কেন্দ্রের চুল্লিগুলোরও অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিপর্যয়ের প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার পর বিশেষজ্ঞরা ৩৩টি চুল্লিকে মেরামতযোগ্য বলে ঘোষণা করেছিলেন। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, জাপান সরকারের সিদ্ধান্তে ওই সময় কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়। মেরামতের কাজ শেষ করে টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি গত ২১ জানুয়ারি কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করে। তবে সেই পুনরুদ্ধারের আনন্দ বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। মাত্র এক দিন পর, ২২ জানুয়ারি, কেন্দ্রীয় ৬ নম্বর চুল্লিতে গুরুতর যান্ত্রিক সমস্যার উপস্থিতি দেখা দেয়। টেপকো কর্তৃপক্ষ তখন উৎপাদন বন্ধ করে দেন। কোম্পানি একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, যান্ত্রিক গোলযোগের পাশাপাশি কেন্দ্রের অ্যালার্ম সিস্টেমেও ত্রুটি দেখা গেছে, যা বড় ধরনের বিপদ তৈরির ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারত। পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে টেপকো জানিয়েছে, তারা সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং তদন্ত চালাচ্ছে। তবে, কী কারণে এই সমস্যাগুলি দেখা দিল, তা এখনো জানা যায়নি। বর্তমান সময়ে কারিগরি এই সংকটের সমাধানে কাজ চলছে, কিন্তু দৈনন্দিন তথ্য অনুযায়ী, কত দ্রুত কেন্দ্রটি আবার চালু হবে, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করতে পারছেন না কর্মকর্তারা।