০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট-২০২৬ কে সামনে রেখে দেশের আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী পরিবেশের ব্যাপারে গুরুত্ব পাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এই বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকায় সেনানিবাসের সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শঙ্কামুক্ত ও সকলের অংশগ্রহণমূলক করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালের দিকে, প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে তারgië অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং সামরিক বিভাগপ্রধান লে. জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। সভার সূচনায় ড. ইউনূস দেশের ক্রান্তিলগ্নে এবং দীর্ঘ সময় ধরে আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাহিনীর সদস্যদের ত্যাগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে নির্বাচন সম্পর্কিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করেন যে, একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনগণের ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করতে বাহিনী সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এই মতবিনিময় সভায় তিন সেনাবাহিনী, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট-২০২৬ কে সামনে রেখে দেশের আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনী পরিবেশের ব্যাপারে গুরুত্ব পাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এই বিষয়গুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ঢাকায় সেনানিবাসের সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শঙ্কামুক্ত ও সকলের অংশগ্রহণমূলক করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সকালের দিকে, প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে পৌঁছালে তারgië অভ্যর্থনা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান এবং সামরিক বিভাগপ্রধান লে. জেনারেল এস এম কামরুল হাসান। সভার সূচনায় ড. ইউনূস দেশের ক্রান্তিলগ্নে এবং দীর্ঘ সময় ধরে আইনশঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি দেশের স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাহিনীর সদস্যদের ত্যাগের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে নির্বাচন সম্পর্কিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ, নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করেন যে, একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং জনগণের ভোটাধিকার নির্বিঘ্নে প্রয়োগ করতে বাহিনী সদস্যদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এই মতবিনিময় সভায় তিন সেনাবাহিনী, অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাসহ আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।