০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে নগদ প্রণোদনা পেতে পারেন বাংলাদেশিরা

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের সরকার নতুন এক আকর্ষণীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। এখন থেকে যদি কোনও প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সাহায্য করেন, তাহলে তিনি নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত হবেন। এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গত সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেটওয়ার্ককে কার্যকরভাবে লাগানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কোনও প্রবাসী দেশের জন্য ইকুইটি বা মূলধনী বিনিয়োগ করেন, তবে তার জন্য থাকছে ১.২৫ শতাংশের নগদ প্রণোদনা। উদাহরণ দেন, যদি একজন প্রবাসী ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেন, তবে তিনি পাবেন ১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার নগদ প্রণোদনা। এর মাধ্যমে রেমিট্যান্সের মতোই প্রবাসীদের অর্থ দেশে মোবাইল করে আনা উৎসাহিত হবে। তবে এর মূল লক্ষ্য হলো ব্যক্তিগত অর্থের বদলে শিল্প ও ব্যবসায়ী খাতে বৃহৎ পরিমাণে পুঁজি উৎসাহিত করা।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল যুক্তি হলো, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের বৃহৎ নেটওয়ার্ক ও প্রভাবশালী অবস্থানকে কাজে লাগানো। প্রবাসীরা তাদের সেখানকার সমাজ ও বিনিয়োগকারী মহলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন, যা বাংলাদেশের জন্য উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই প্রস্তাবটি এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

অতএব, বিদেশি বিনিয়োগ আরো আকৃষ্ট করতে সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে বিদেশে বিডার নিজস্ব অফিস খোলার সিদ্ধান্ত। প্রথমে চীনে, পরে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপের কোনও এক দেশে অফিস গঠন করা হবে। এটির খরচ কমানোর জন্য স্থায়ী স্টাফের পরিবর্তে কমিশন বা সফলতার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চীনে অফিস খোলার ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষা ও বাজারের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে নগদ প্রণোদনা পেতে পারেন বাংলাদেশিরা

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের সরকার নতুন এক আকর্ষণীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। এখন থেকে যদি কোনও প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আনতে সাহায্য করেন, তাহলে তিনি নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত হবেন। এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গত সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওস্থ প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নেটওয়ার্ককে কার্যকরভাবে লাগানোর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, এই নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কোনও প্রবাসী দেশের জন্য ইকুইটি বা মূলধনী বিনিয়োগ করেন, তবে তার জন্য থাকছে ১.২৫ শতাংশের নগদ প্রণোদনা। উদাহরণ দেন, যদি একজন প্রবাসী ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেন, তবে তিনি পাবেন ১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার নগদ প্রণোদনা। এর মাধ্যমে রেমিট্যান্সের মতোই প্রবাসীদের অর্থ দেশে মোবাইল করে আনা উৎসাহিত হবে। তবে এর মূল লক্ষ্য হলো ব্যক্তিগত অর্থের বদলে শিল্প ও ব্যবসায়ী খাতে বৃহৎ পরিমাণে পুঁজি উৎসাহিত করা।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল যুক্তি হলো, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের বৃহৎ নেটওয়ার্ক ও প্রভাবশালী অবস্থানকে কাজে লাগানো। প্রবাসীরা তাদের সেখানকার সমাজ ও বিনিয়োগকারী মহলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন, যা বাংলাদেশের জন্য উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে। এই প্রস্তাবটি এখন চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

অতএব, বিদেশি বিনিয়োগ আরো আকৃষ্ট করতে সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে বিদেশে বিডার নিজস্ব অফিস খোলার সিদ্ধান্ত। প্রথমে চীনে, পরে দক্ষিণ কোরিয়া এবং ইউরোপের কোনও এক দেশে অফিস গঠন করা হবে। এটির খরচ কমানোর জন্য স্থায়ী স্টাফের পরিবর্তে কমিশন বা সফলতার ভিত্তিতে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চীনে অফিস খোলার ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষা ও বাজারের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা সম্ভব হবে।