০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ডিএমপির হটলাইন চালু

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই নির্বাচন পরিস্থিতিকে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত করতে ডিএমপি আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনটি বিশেষ হটলাইন নম্বর উদ্বোধন করেছে। এগুলোর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা খুব সহজে নির্বাচনী সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ, জরুরি তথ্য বা অসুবিধার বিষয় সরাসরি পুলিশকে জানাতে পারবেন।

ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই নতুন উদ্যোগের ব্যাপারে বলেন, নির্বাচন চলাকালে যদি কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বা ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করে, তবে সাধারণ মানুষ খুব সহজে পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ ভোটের পরিবেশ बिगারানোর চেষ্টা করে বা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তবে পুলিশ এই হটলাইনের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারের অংশ।

নগরবাসীর জন্য এই হটলাইন নম্বরগুলো হলো— ০১৩২০০৩৭৩৫৮, ০১৩২০০৩৭৩৫৯ এবং ০১৩২০০৩৭৩৬০। যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত এই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের সংশ্লিষ্ট টিম অথবা থানা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মানবাধিকার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তবে শুধুমাত্র পুলিশের প্রচেষ্টা নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতাই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। ডিএমপি সাধারণ নাগরিকদের কাছে এই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, দেশের গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং ভয়ভীতির পরিবেশ দূর করে শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সবাই যেন এই তথ্যসেবা গ্রহণ করেন। মূল লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন এবং ভোটের দিন কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অস্থিরতা রুখে দেওয়া।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচন ও গণভোটের জন্য ডিএমপির হটলাইন চালু

প্রকাশিতঃ ১১:৪৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজধানী ঢাকা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম রোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই নির্বাচন পরিস্থিতিকে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত করতে ডিএমপি আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনটি বিশেষ হটলাইন নম্বর উদ্বোধন করেছে। এগুলোর মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকরা খুব সহজে নির্বাচনী সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ, জরুরি তথ্য বা অসুবিধার বিষয় সরাসরি পুলিশকে জানাতে পারবেন।

ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই নতুন উদ্যোগের ব্যাপারে বলেন, নির্বাচন চলাকালে যদি কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বা ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করে, তবে সাধারণ মানুষ খুব সহজে পুলিশকে সহযোগিতা করতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যদি কেউ ভোটের পরিবেশ बिगারানোর চেষ্টা করে বা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, তবে পুলিশ এই হটলাইনের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ ও সুবিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারের অংশ।

নগরবাসীর জন্য এই হটলাইন নম্বরগুলো হলো— ০১৩২০০৩৭৩৫৮, ০১৩২০০৩৭৩৫৯ এবং ০১৩২০০৩৭৩৬০। যেকোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত এই নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করার জন্য সবাইকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের সংশ্লিষ্ট টিম অথবা থানা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মানবাধিকার ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তবে শুধুমাত্র পুলিশের প্রচেষ্টা নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সক্রিয় সহযোগিতাই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে। ডিএমপি সাধারণ নাগরিকদের কাছে এই আহ্বান জানিয়ে বলেছে, দেশের গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং ভয়ভীতির পরিবেশ দূর করে শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সবাই যেন এই তথ্যসেবা গ্রহণ করেন। মূল লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন এবং ভোটের দিন কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা অস্থিরতা রুখে দেওয়া।