০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

অভিন্ন নিয়ম না থাকলে বৈশ্বিক বাণিজ্য অরাজকতায় পড়বে: ডব্লিউটিও মহাসচিব

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) মহাসচিব এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা সতর্ক করে বলেছেন যে, অভিন্ন নিয়মবিহীন হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা অগোছালো ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দ্রুত বদলানো প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়োপযোগী ও জরুরি।

ওকোনজো-ইওয়েলা সদস্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বহু-পক্ষীয় ফোরামগুলো প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেও বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এগুলোই অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের মতো বহু-পক্ষীয় সংস্থাগুলো কার্যকর রাখতে পরিবর্তন আনতেই হবে।’’

মহাসচিব আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, বর্তমান ব্যবস্থাটা টেকসই নয়। নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় ব্যবসায়ীরা শুল্কহার, পণ্যের মানদণ্ড ও শুল্ক প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে ১৯৩০-এর দশকের বিধ্বংসী সুরক্ষাবাদী নীতির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি দেশ যদি নিজের স্বার্থ অনুসারে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ করে, তবে তা অরাজকতা তৈরি করবে—যা কেউই চাইবে না, যোগ করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলা করতে ডব্লিউটিওর অন্দরে একটি সামগ্রিক সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন বলে মহাসচিবের দৃঢ় মত। চলতি বছরের শেষভাগে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সম্ভাব্যভাবে এ ধাঁচের সংস্কার অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্য থাকবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্য ও পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগিয়ে সংস্থাকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করা যায়।

ওকোনজো-ইওয়েলার বার্তা — যদি সদস্য দেশগুলো মিলিত হয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম- কাঠামো গড়ে না তোলে, তাহলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাবস্থার স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক নির্ভরযোগ্যতা বিপন্ন হবে। সেই কারণে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সংস্কারই এখন সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

অভিন্ন নিয়ম না থাকলে বৈশ্বিক বাণিজ্য অরাজকতায় পড়বে: ডব্লিউটিও মহাসচিব

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) মহাসচিব এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা সতর্ক করে বলেছেন যে, অভিন্ন নিয়মবিহীন হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা অগোছালো ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দ্রুত বদলানো প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়োপযোগী ও জরুরি।

ওকোনজো-ইওয়েলা সদস্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বহু-পক্ষীয় ফোরামগুলো প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেও বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এগুলোই অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের মতো বহু-পক্ষীয় সংস্থাগুলো কার্যকর রাখতে পরিবর্তন আনতেই হবে।’’

মহাসচিব আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, বর্তমান ব্যবস্থাটা টেকসই নয়। নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় ব্যবসায়ীরা শুল্কহার, পণ্যের মানদণ্ড ও শুল্ক প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে ১৯৩০-এর দশকের বিধ্বংসী সুরক্ষাবাদী নীতির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি দেশ যদি নিজের স্বার্থ অনুসারে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ করে, তবে তা অরাজকতা তৈরি করবে—যা কেউই চাইবে না, যোগ করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলা করতে ডব্লিউটিওর অন্দরে একটি সামগ্রিক সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন বলে মহাসচিবের দৃঢ় মত। চলতি বছরের শেষভাগে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সম্ভাব্যভাবে এ ধাঁচের সংস্কার অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্য থাকবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্য ও পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগিয়ে সংস্থাকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করা যায়।

ওকোনজো-ইওয়েলার বার্তা — যদি সদস্য দেশগুলো মিলিত হয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম- কাঠামো গড়ে না তোলে, তাহলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাবস্থার স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক নির্ভরযোগ্যতা বিপন্ন হবে। সেই কারণে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সংস্কারই এখন সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি মনে করেন।