১০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশকে পাশে রাখবে ইইউ ও জি-৭৭ ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একজোট হয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের আড়ালে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায় কিছু মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন জুয়ার লেনদেনে দিনে ৫ কোটি: টঙ্গী–কুমিল্লায় অভিযানে ছয় গ্রেফতার বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী পরিবহন-লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলুন পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব

অভিন্ন নিয়ম না থাকলে বৈশ্বিক বাণিজ্য অরাজকতায় পড়বে: ডব্লিউটিও মহাসচিব

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) মহাসচিব এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা সতর্ক করে বলেছেন যে, অভিন্ন নিয়মবিহীন হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা অগোছালো ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দ্রুত বদলানো প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়োপযোগী ও জরুরি।

ওকোনজো-ইওয়েলা সদস্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বহু-পক্ষীয় ফোরামগুলো প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেও বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এগুলোই অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের মতো বহু-পক্ষীয় সংস্থাগুলো কার্যকর রাখতে পরিবর্তন আনতেই হবে।’’

মহাসচিব আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, বর্তমান ব্যবস্থাটা টেকসই নয়। নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় ব্যবসায়ীরা শুল্কহার, পণ্যের মানদণ্ড ও শুল্ক প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে ১৯৩০-এর দশকের বিধ্বংসী সুরক্ষাবাদী নীতির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি দেশ যদি নিজের স্বার্থ অনুসারে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ করে, তবে তা অরাজকতা তৈরি করবে—যা কেউই চাইবে না, যোগ করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলা করতে ডব্লিউটিওর অন্দরে একটি সামগ্রিক সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন বলে মহাসচিবের দৃঢ় মত। চলতি বছরের শেষভাগে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সম্ভাব্যভাবে এ ধাঁচের সংস্কার অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্য থাকবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্য ও পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগিয়ে সংস্থাকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করা যায়।

ওকোনজো-ইওয়েলার বার্তা — যদি সদস্য দেশগুলো মিলিত হয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম- কাঠামো গড়ে না তোলে, তাহলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাবস্থার স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক নির্ভরযোগ্যতা বিপন্ন হবে। সেই কারণে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সংস্কারই এখন সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি মনে করেন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

ইইউ ও জি-৭৭ দেশের এলডিসি উত্তরণে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়াতে সমর্থন

অভিন্ন নিয়ম না থাকলে বৈশ্বিক বাণিজ্য অরাজকতায় পড়বে: ডব্লিউটিও মহাসচিব

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) মহাসচিব এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা সতর্ক করে বলেছেন যে, অভিন্ন নিয়মবিহীন হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থা অগোছালো ও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং দ্রুত বদলানো প্রযুক্তিকে মাথায় রেখে সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার এখন সময়োপযোগী ও জরুরি।

ওকোনজো-ইওয়েলা সদস্য দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, বহু-পক্ষীয় ফোরামগুলো প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লেও বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এগুলোই অপরিহার্য। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের মতো বহু-পক্ষীয় সংস্থাগুলো কার্যকর রাখতে পরিবর্তন আনতেই হবে।’’

মহাসচিব আরও উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান যে, বর্তমান ব্যবস্থাটা টেকসই নয়। নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় ব্যবসায়ীরা শুল্কহার, পণ্যের মানদণ্ড ও শুল্ক প্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হবেন, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে ১৯৩০-এর দশকের বিধ্বংসী সুরক্ষাবাদী নীতির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে। প্রতিটি দেশ যদি নিজের স্বার্থ অনুসারে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ করে, তবে তা অরাজকতা তৈরি করবে—যা কেউই চাইবে না, যোগ করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলা করতে ডব্লিউটিওর অন্দরে একটি সামগ্রিক সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন বলে মহাসচিবের দৃঢ় মত। চলতি বছরের শেষভাগে মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সম্ভাব্যভাবে এ ধাঁচের সংস্কার অনুমোদনের বিষয়টি আলোচ্য থাকবে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাণিজ্য ও পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে কাজে লাগিয়ে সংস্থাকে আরও সহনশীল ও শক্তিশালী করা যায়।

ওকোনজো-ইওয়েলার বার্তা — যদি সদস্য দেশগুলো মিলিত হয়ে আন্তর্জাতিক নিয়ম- কাঠামো গড়ে না তোলে, তাহলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যাবস্থার স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক নির্ভরযোগ্যতা বিপন্ন হবে। সেই কারণে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও সময়োপযোগী সংস্কারই এখন সবচেয়ে জরুরি বলে তিনি মনে করেন।