০৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে যাত্রা শুরু করল বগুড়া সিটি করপোরেশন হাম-রুবেলা টিকা নিয়ে অবহেলা করেছিল বিগত সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারাল আয়ারল্যান্ড

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজকের ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের ভয়ঙ্কর ব্যাটিং দৃশ্যমান করে ওমানের বিরুদ্ধে বড় জয় অর্জন করেছে। চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড ২৩৫ রান সংগ্রহ করে। এটি এই আসরের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে স্থান পেয়েছে। পাল্লা দিতে গিয়ে ওমান ১৮ ওভারে মাত্র ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে গেলে, আয়ারল্যান্ড নিশ্চিত করে নিজেদের প্রথম বড় জয়। এর পাশাপাশি, এই জয়ে চলতি টুর্নামেন্টে রানের ব্যবধানে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডও बनল।

আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের শুরুতেই তারা কিছুটা সংকটে পড়েছিল। নিয়মিত অধিনায়ক পল স্টার্লিংয়ের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বে আসা লরকান টাকারের জন্য শুরু মানে ছিল চ্যালেঞ্জ। পাওয়ার প্লে-তে তারা চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪৭ রান সংগ্রহ করে। মাঝে আয়ারল্যান্ডের পরিস্থিতি উপন্ন করে গ্যারেথ ডিলানি, যিনি ৩০ বলে ৫৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, তবে শেষের দিকে দলের ব্যাটসম্যানরা ফ্লুর মতো পড়ে যায়। তবে শেষ দিকে লরকান টাকারের দায়িত্ববোধে ভরা ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস এবং জর্জ ডকরেলের ৩৫ রানের ঝকঝকে খেলায়, তারা প্রথম বিশ্বকাপ জয় সহজ করে নেয়। টাকারের এই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে নজর কেড়েছে।

অন্যদিকে, ওমান শুরু থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মানসিকতা দেখিয়েছিল। ১০.৫ ওভার শেষে তিন উইকেট হারিয়ে deras সংগ্রহ ছিল ১০০ রান, যা জয় ছোঁয়ার আশা জাগিয়ে তোলে। আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের পারফরম্যান্স এই সম্ভাবনাকে ধরে রেখেছিল। কালিম ৫০ রান করেন, মির্জা ৪৬। তবে এই জুটির পরই ওমানের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে এবং শেষ ৭ উইকেট মাত্র ৪২ রানে পড়ে যায়। জশ লিটলের নিখুঁত বোলিংয়ের সামনে ওমানের ব্যাটসম্যানরা আর টিকতে পারেনি। ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায়, এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হার মানে ওমান।

এই জয় আয়ারল্যান্ডের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছে। টাকারের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও ডকরেলের অকপট ক্যামিও তাদের জন্য বড় পুঁজি সরবরাহ করে, আর জশ লিটলের চমৎকার বোলিং এটিকে আরও শক্তি যোগায়। অন্যদিকে, ওমানের জন্য এই বড় পরাজয় বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি কষ্টদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে। শাকিল আহমেদ ৩ উইকেট শিকার করলেও, দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হলো। এই ম্যাচে ওমানের বিপর্যয়জনক ফলাফল দেখিয়ে দেয় যে, শক্তিশালী না হলে এই প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা কঠিন।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি

বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ রান করে ওমানকে হারাল আয়ারল্যান্ড

প্রকাশিতঃ ১১:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আজকের ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের ভয়ঙ্কর ব্যাটিং দৃশ্যমান করে ওমানের বিরুদ্ধে বড় জয় অর্জন করেছে। চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে পাঁচ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড ২৩৫ রান সংগ্রহ করে। এটি এই আসরের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে স্থান পেয়েছে। পাল্লা দিতে গিয়ে ওমান ১৮ ওভারে মাত্র ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে গেলে, আয়ারল্যান্ড নিশ্চিত করে নিজেদের প্রথম বড় জয়। এর পাশাপাশি, এই জয়ে চলতি টুর্নামেন্টে রানের ব্যবধানে এটি তৃতীয় সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডও बनল।

আয়ারল্যান্ডের ইনিংসের শুরুতেই তারা কিছুটা সংকটে পড়েছিল। নিয়মিত অধিনায়ক পল স্টার্লিংয়ের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বে আসা লরকান টাকারের জন্য শুরু মানে ছিল চ্যালেঞ্জ। পাওয়ার প্লে-তে তারা চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪৭ রান সংগ্রহ করে। মাঝে আয়ারল্যান্ডের পরিস্থিতি উপন্ন করে গ্যারেথ ডিলানি, যিনি ৩০ বলে ৫৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, তবে শেষের দিকে দলের ব্যাটসম্যানরা ফ্লুর মতো পড়ে যায়। তবে শেষ দিকে লরকান টাকারের দায়িত্ববোধে ভরা ৯৪ রানের অপরাজিত ইনিংস এবং জর্জ ডকরেলের ৩৫ রানের ঝকঝকে খেলায়, তারা প্রথম বিশ্বকাপ জয় সহজ করে নেয়। টাকারের এই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর হিসেবে নজর কেড়েছে।

অন্যদিকে, ওমান শুরু থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক মানসিকতা দেখিয়েছিল। ১০.৫ ওভার শেষে তিন উইকেট হারিয়ে deras সংগ্রহ ছিল ১০০ রান, যা জয় ছোঁয়ার আশা জাগিয়ে তোলে। আমির কালিম ও হাম্মাদ মির্জার ৪৯ বলে ৭৩ রানের পারফরম্যান্স এই সম্ভাবনাকে ধরে রেখেছিল। কালিম ৫০ রান করেন, মির্জা ৪৬। তবে এই জুটির পরই ওমানের ব্যাটিং ভেঙে পড়ে এবং শেষ ৭ উইকেট মাত্র ৪২ রানে পড়ে যায়। জশ লিটলের নিখুঁত বোলিংয়ের সামনে ওমানের ব্যাটসম্যানরা আর টিকতে পারেনি। ১৮ ওভারে ১৩৯ রানে অলআউট হয়ে যায়, এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হার মানে ওমান।

এই জয় আয়ারল্যান্ডের জন্য দলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছে। টাকারের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও ডকরেলের অকপট ক্যামিও তাদের জন্য বড় পুঁজি সরবরাহ করে, আর জশ লিটলের চমৎকার বোলিং এটিকে আরও শক্তি যোগায়। অন্যদিকে, ওমানের জন্য এই বড় পরাজয় বিশ্বকাপের ইতিহাসে একটি কষ্টদায়ক অধ্যায় হয়ে থাকবে। শাকিল আহমেদ ৩ উইকেট শিকার করলেও, দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হলো। এই ম্যাচে ওমানের বিপর্যয়জনক ফলাফল দেখিয়ে দেয় যে, শক্তিশালী না হলে এই প্রতিযোগিতায় শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা কঠিন।