০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
বেসরকারি খাতের গতিশীলতায় সুদৃঢ় অর্থনীতি গড়াই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন ৫০তম বিসিএস লিখিত ফল প্রকাশ: ৬১৬৫ জন উত্তীর্ণ সংসদের চিঠি পেলেই সিদ্ধান্ত: গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে ইসি মাছউদ প্রবাসীদের পাসপোর্ট তথ্য সংশোধনের সময়সীমা ছয় মাস বাড়ল জাতিসংঘে সুপারিশ: বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতি সময় বাড়াতে তথ্যমন্ত্রী: শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ই অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয় একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার আটটি প্রকল্প অনুমোদন একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি ২১ লাখ টাকার ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ম্যানিলায় বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দেড় বছরের দায়িত্বের সমাপ্তি

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের মেয়াদ আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে, যা শেষ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন দীর্ঘ ১৮ মাসের কর্মজীবন থেকে বিদায় জানিয়েছেন। এই সময়ে তিনি দেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যান। বিদায় দৌর্গতকালে তিনি 자신의 অর্জনগুলোকে এক সুগঠিত ও সংগ্রামী পথচলার ফল বলে উল্লেখ করেন। দায়িত্বকালীন সময়ে নানা অভিঘাত ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এই মিশেল ছিল ভালো-মন্দের সমন্বয়। তিনি জানিয়ে দেন, জনস্বার্থে কাজ করতে গিয়ে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক বিদায় সভায় তিনি তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব শেষ হওয়ায় এখন তিনি তাঁর পূর্বের জীবনে ফিরে যাচ্ছেন। তবে অবসর নিলেও তাঁর সৃজনশীল এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে যাবেন, পাশাপাশি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তার মতামত ও কথা বলে যাবেন। বিদায়ের এই আনুষ্ঠানিকতায় মন্ত্রণালয়ে একটি আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপদেষ্টা তাঁর শেষ কর্মদিবসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সহকর্মীদের অক্লান্ত সহযোগিতা ও সহযোগিতা জন্য। শেষে, তিনি সিনিয়র দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তোলেন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ অবস্থায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগে এই প্রস্থান যুক্ত করে দেশের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়ের সফল সমাপ্তি ঘটায়।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

চিফ হুইপ: প্রধানমন্ত্রী জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিচ্ছেন

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের দেড় বছরের দায়িত্বের সমাপ্তি

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের মেয়াদ আজ সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে, যা শেষ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন দীর্ঘ ১৮ মাসের কর্মজীবন থেকে বিদায় জানিয়েছেন। এই সময়ে তিনি দেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান সুসংহত করতে নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যান। বিদায় দৌর্গতকালে তিনি 자신의 অর্জনগুলোকে এক সুগঠিত ও সংগ্রামী পথচলার ফল বলে উল্লেখ করেন। দায়িত্বকালীন সময়ে নানা অভিঘাত ও পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, এই মিশেল ছিল ভালো-মন্দের সমন্বয়। তিনি জানিয়ে দেন, জনস্বার্থে কাজ করতে গিয়ে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক বিদায় সভায় তিনি তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব শেষ হওয়ায় এখন তিনি তাঁর পূর্বের জীবনে ফিরে যাচ্ছেন। তবে অবসর নিলেও তাঁর সৃজনশীল এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করে যাবেন, পাশাপাশি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তার মতামত ও কথা বলে যাবেন। বিদায়ের এই আনুষ্ঠানিকতায় মন্ত্রণালয়ে একটি আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। উপদেষ্টা তাঁর শেষ কর্মদিবসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানে তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সহকর্মীদের অক্লান্ত সহযোগিতা ও সহযোগিতা জন্য। শেষে, তিনি সিনিয়র দলীয় সহকর্মীদের সঙ্গে গ্রুপ ছবি তোলেন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ অবস্থায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগে এই প্রস্থান যুক্ত করে দেশের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়ের সফল সমাপ্তি ঘটায়।