১০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট বাণিজ্যমন্ত্রীর আশ্বাস: জ্বালানি দাম বাড়লেও পণ্যের মূল্য বেশি বাড়বে না তারেক রহমান: জুলাই সনদের প্রতিটি শব্দ, অক্ষর আমরা বাস্তবায়ন করবো সৌদি আরবের অনুরোধ: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রদান করা হোক দেশ-বিদেশ সফরে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য নতুন প্রটোকল ও নির্দেশনা

সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার তাঁর কার্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। উভয়েই পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং বর্তমান সরকারের সময়কালে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ्त হলেও গভীর আলোচনা করেন। এই সাক্ষাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধান উপদেস্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, এই বিদায়ী সেশনের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সমাপ্ত হলো।

সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দেশের ১৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে, গত কয়েক মাসের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কাজে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমকে তিনি উচ্চ প্রশংসায় ভূষিত করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনীর জোরালো সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ সকল সেনা সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এভাবেই, তাঁর মতে, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার নতুন সরকার শপথ নেওয়ার কথা থাকায় এই বিদায়ী সাক্ষাৎকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে দায়িত্ব পুরোদমে পালন করেছে, এতে তিনি সন্তুষ্ট। উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান গতকাল এক ঘোষণা দেন যে, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেই সেনাবাহিনী পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরে যাবে। আজকের এই সাক্ষাতের মাধ্যমে মূলত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সেনাবাহিনীর প্রশাসনিক ও তদারকিমূলক সম্পর্কের শেষ সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হলো। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী

সেনাপ্রধানের বিদায়ী সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে

প্রকাশিতঃ ১১:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ সোমবার তাঁর কার্যালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। উভয়েই পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন এবং বর্তমান সরকারের সময়কালে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ्त হলেও গভীর আলোচনা করেন। এই সাক্ষাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে প্রধান উপদেস্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, এই বিদায়ী সেশনের মাধ্যমে দুজনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সমাপ্ত হলো।

সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দেশের ১৮ মাসের দায়িত্ব পালনকালে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন। বিশেষ করে, গত কয়েক মাসের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে জনগণের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কাজে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমকে তিনি উচ্চ প্রশংসায় ভূষিত করেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনীর জোরালো সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ সকল সেনা সদস্যের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এভাবেই, তাঁর মতে, স্বাধীন ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

আগামী মঙ্গলবার নতুন সরকার শপথ নেওয়ার কথা থাকায় এই বিদায়ী সাক্ষাৎকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তারা। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানও প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে দায়িত্ব পুরোদমে পালন করেছে, এতে তিনি সন্তুষ্ট। উল্লেখ্য, সেনাপ্রধান গতকাল এক ঘোষণা দেন যে, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলেই সেনাবাহিনী পর্যায়ক্রমে ব্যারাকে ফিরে যাবে। আজকের এই সাক্ষাতের মাধ্যমে মূলত, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে সেনাবাহিনীর প্রশাসনিক ও তদারকিমূলক সম্পর্কের শেষ সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হলো। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।