০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
গণমাধ্যম ও রাজনীতিতে জবাবদিহিতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া ফরিদা খানম ঢাকার নতুন ডিসি মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গল থেকে ২৭ বছর পর দেশে ফিরলেন শরীয়তপুরের আমির হোসেন ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না এমপি-রা, বিরোধীও একমত: চিফ হুইপ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় কারো সঙ্গে বৈরী আচরণ করব না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর πολιটিক্যাল ও কৃষি উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ আইএফআইসি নেতৃত্বে পটুয়াখালীতে দুইদিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ সম্প্রসারণ কর্মসূচি জ্বালানির দর বাড়লেই নিত্যপণ্যের দাম সামঞ্জস্য করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা কারিগরি ত্রুটিতে এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দক্ষিণ ঢাকাসহ গ্যাস সংকট

ডিএসইয়ে সূচক সামান্য বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজারে একেবারে সমান রূপা ছিল না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান সূচক সামান্য উঠে লেনদেন শেষ করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের সঙ্গে সব প্রধান সূচক নামেছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পরপরই দরপতনের তালিকা বড় হওয়ার ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে যায়। তবে মাঝপথে দর বাড়ির তালিকায় কিছু কোম্পানির সংযোজন ঘটলে সূচক কিছুটা স্থিতিশীল হয়। দিনের শেষ ভাগে আবার দরপতনের চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় প্রধান সূচক শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ হয়। সেই গতি reflected করে শরিয়াহ সূচকে মিশ্র চিত্র—শরিয়াহ সূচক 이날 কমেছে, তবু লেনদেনের মোট পরিমাণ সামান্য বাড়েছে।

সূচকভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট বেড়ে ৫,৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২,১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক ০.৩০ পয়েন্ট কমে ১,০৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

হিসাব মতে ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৯৪টির কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। উচ্চ লভ্যাংশ দেয় এমন ‘‘ভাল কোম্পানি’’ হিসেবে পরিচিত ক্যাটাগরিতে ৬১টির দর বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত ছিল।

‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমে গেছে এবং ২০টির দাম স্থিতিশীল ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে মোট কার্যক্রম ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক—২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায়; তৃতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক—২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়।

চট্টগ্রামে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৪৬ পয়েন্ট নেমেছে। সিএসইতে তালিকাভুক্ত ১৫০টির মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির অপরিবর্তিত ছিল। সেখানকার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

সংক্ষেপে, রোববার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন—ঢাকায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সপোর্টে সূচক সামান্য বাড়লেও সংখ্যাগরিষ্ঠ ছোট এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠান বিভাগের দরপতন স্পষ্ট ছিল, আর চট্টগ্রামে প্রধান সূচক ও বেশিরভাগ স্টকের দর নামা নজরকাড়া রেকর্ড করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

বিএনপি চায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়া

ডিএসইয়ে সূচক সামান্য বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজারে একেবারে সমান রূপা ছিল না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান সূচক সামান্য উঠে লেনদেন শেষ করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের সঙ্গে সব প্রধান সূচক নামেছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পরপরই দরপতনের তালিকা বড় হওয়ার ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে যায়। তবে মাঝপথে দর বাড়ির তালিকায় কিছু কোম্পানির সংযোজন ঘটলে সূচক কিছুটা স্থিতিশীল হয়। দিনের শেষ ভাগে আবার দরপতনের চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় প্রধান সূচক শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ হয়। সেই গতি reflected করে শরিয়াহ সূচকে মিশ্র চিত্র—শরিয়াহ সূচক 이날 কমেছে, তবু লেনদেনের মোট পরিমাণ সামান্য বাড়েছে।

সূচকভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট বেড়ে ৫,৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২,১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক ০.৩০ পয়েন্ট কমে ১,০৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

হিসাব মতে ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৯৪টির কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। উচ্চ লভ্যাংশ দেয় এমন ‘‘ভাল কোম্পানি’’ হিসেবে পরিচিত ক্যাটাগরিতে ৬১টির দর বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত ছিল।

‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমে গেছে এবং ২০টির দাম স্থিতিশীল ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে মোট কার্যক্রম ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক—২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায়; তৃতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক—২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়।

চট্টগ্রামে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৪৬ পয়েন্ট নেমেছে। সিএসইতে তালিকাভুক্ত ১৫০টির মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির অপরিবর্তিত ছিল। সেখানকার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

সংক্ষেপে, রোববার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন—ঢাকায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সপোর্টে সূচক সামান্য বাড়লেও সংখ্যাগরিষ্ঠ ছোট এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠান বিভাগের দরপতন স্পষ্ট ছিল, আর চট্টগ্রামে প্রধান সূচক ও বেশিরভাগ স্টকের দর নামা নজরকাড়া রেকর্ড করেছে।