১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
পিএসসির আরেক কোটিপতি গাড়িচালক: দুদকের বিরুদ্ধে মামলা প্রণয় ভার্মা: বাংলাদেশে জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ভারত সাগরে লঘুচাপ: খুলনা—বরিশালসহ দুদিন বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দুর্নীতি বরদাস্ত করা হবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ইসি: ১৪ এপ্রিলের আগেই বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে রদবদল শুরু: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী চেকপোস্টে পুলিশ কনস্টেবল ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত দুর্বল বলে কাউকে আঘাত করা যাবে না: গয়েশ্বর দুর্বল বলে কাউকে আঘাত করা চলবে না: গয়েশ্বর ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন ১০–১২ মার্চের মধ্যে বসতে পারে

ডিএসইয়ে সূচক সামান্য বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজারে একেবারে সমান রূপা ছিল না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান সূচক সামান্য উঠে লেনদেন শেষ করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের সঙ্গে সব প্রধান সূচক নামেছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পরপরই দরপতনের তালিকা বড় হওয়ার ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে যায়। তবে মাঝপথে দর বাড়ির তালিকায় কিছু কোম্পানির সংযোজন ঘটলে সূচক কিছুটা স্থিতিশীল হয়। দিনের শেষ ভাগে আবার দরপতনের চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় প্রধান সূচক শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ হয়। সেই গতি reflected করে শরিয়াহ সূচকে মিশ্র চিত্র—শরিয়াহ সূচক 이날 কমেছে, তবু লেনদেনের মোট পরিমাণ সামান্য বাড়েছে।

সূচকভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট বেড়ে ৫,৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২,১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক ০.৩০ পয়েন্ট কমে ১,০৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

হিসাব মতে ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৯৪টির কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। উচ্চ লভ্যাংশ দেয় এমন ‘‘ভাল কোম্পানি’’ হিসেবে পরিচিত ক্যাটাগরিতে ৬১টির দর বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত ছিল।

‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমে গেছে এবং ২০টির দাম স্থিতিশীল ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে মোট কার্যক্রম ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক—২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায়; তৃতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক—২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়।

চট্টগ্রামে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৪৬ পয়েন্ট নেমেছে। সিএসইতে তালিকাভুক্ত ১৫০টির মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির অপরিবর্তিত ছিল। সেখানকার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

সংক্ষেপে, রোববার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন—ঢাকায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সপোর্টে সূচক সামান্য বাড়লেও সংখ্যাগরিষ্ঠ ছোট এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠান বিভাগের দরপতন স্পষ্ট ছিল, আর চট্টগ্রামে প্রধান সূচক ও বেশিরভাগ স্টকের দর নামা নজরকাড়া রেকর্ড করেছে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রণয় ভার্মা: বাংলাদেশে জনকেন্দ্রিক সম্পর্ক জোরদার করতে চায় ভারত

ডিএসইয়ে সূচক সামান্য বৃদ্ধি, সিএসইতে পতন

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজারে একেবারে সমান রূপা ছিল না। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর কমলেও বড় মূলধনের কয়েকটি কোম্পানির ইতিবাচক প্রভাবে প্রধান সূচক সামান্য উঠে লেনদেন শেষ করেছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের সঙ্গে সব প্রধান সূচক নামেছে।

ডিএসইতে লেনদেন শুরুর পরপরই দরপতনের তালিকা বড় হওয়ার ফলে সূচক ঋণাত্মক হয়ে যায়। তবে মাঝপথে দর বাড়ির তালিকায় কিছু কোম্পানির সংযোজন ঘটলে সূচক কিছুটা স্থিতিশীল হয়। দিনের শেষ ভাগে আবার দরপতনের চাপ বাড়লেও বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং কয়েকটি শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ায় প্রধান সূচক শেষ পর্যন্ত সামান্য উত্থান নিয়ে বন্ধ হয়। সেই গতি reflected করে শরিয়াহ সূচকে মিশ্র চিত্র—শরিয়াহ সূচক 이날 কমেছে, তবু লেনদেনের মোট পরিমাণ সামান্য বাড়েছে।

সূচকভিত্তিক ফলাফল অনুযায়ী ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এক পয়েন্ট বেড়ে ৫,৪৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে ২,১০৪ পয়েন্টে উঠেছে। তবে শরিয়াহ সূচক ০.৩০ পয়েন্ট কমে ১,০৯৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

হিসাব মতে ডিএসইতে 이날 ১২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১৯৪টির কমেছে এবং ৭১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। উচ্চ লভ্যাংশ দেয় এমন ‘‘ভাল কোম্পানি’’ হিসেবে পরিচিত ক্যাটাগরিতে ৬১টির দর বেড়েছে, ৯৯টির কমেছে এবং ৪০টির অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেয় এমন মাঝারি মানের কোম্পানির মধ্যে ২৬টির দর বেড়েছে, ৪৩টির কমেছে এবং ১১টির অপরিবর্তিত ছিল।

‘জেড’ শ্রেণিভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৬টির দর বেড়েছে, ৫২টির কমে গেছে এবং ২০টির দাম স্থিতিশীল ছিল। তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৭টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ২০টির অপরিবর্তিত রয়েছে।

লেনদেনের দিক থেকে মোট কার্যক্রম ছিল ৫৬৮ কোটি ৮ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ কোটি ৯ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে শীর্ষে ছিল অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়। দ্বিতীয় স্থানে ছিল ব্র্যাক ব্যাংক—২৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায়; তৃতীয় স্থানে সিটি ব্যাংক—২০ কোটি ৪৬ লাখ টাকায়।

চট্টগ্রামে পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৪৬ পয়েন্ট নেমেছে। সিএসইতে তালিকাভুক্ত ১৫০টির মধ্যে ৪৪টির দর বেড়েছে, ৯৩টির কমেছে এবং ১৩টির অপরিবর্তিত ছিল। সেখানকার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

সংক্ষেপে, রোববার পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন—ঢাকায় বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সপোর্টে সূচক সামান্য বাড়লেও সংখ্যাগরিষ্ঠ ছোট এবং মাঝারি প্রতিষ্ঠান বিভাগের দরপতন স্পষ্ট ছিল, আর চট্টগ্রামে প্রধান সূচক ও বেশিরভাগ স্টকের দর নামা নজরকাড়া রেকর্ড করেছে।