০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষঃ
সৌদি আরব বাংলাদেশে পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় পরিচ্ছন্ন, পরিকল্পিত নগর গড়তে কাজ করছে সরকার: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মানব পাচার ও প্রযুক্তি অপব্যবহার রোধে নতুন আইন কার্যকর হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির প্রয়াণে আজ বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় শোক এলডিসিদের টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা: স্টার্টআপে ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থায়ন এলডিসির টেকসই উত্তরণে বৈশ্বিক সহায়তা বাড়ানোর দাবি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মডেল মসজিদ প্রকল্পে দুর্নীতি ‘গর্হিত ও ন্যক্কারজনক’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে এমপির গণশুনানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া—৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেছেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনেছেন।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামে একটি ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিয়েও নির্ধারিত এলাকায় নয়, বরং সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটা এলাকার পাশ দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং গ্রামবাসীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে তাঁদের আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, নদী ভাঙন বাড়ছে এবং অনেক পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা দ্রুত এ কর্মকাণ্ড বন্ধ করার ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান গণশুনানায় বলেন, নবীনগরে কোনও অবৈধ কর্মকাণ্ডকে মানা হবে না এবং যে কোনও মূল্যে অবৈধ বালুমহাল বন্ধ করতেই হবে। তিনি জানান, যদি ইজারা শর্ত ভঙ্গ করে কৃষিজমি ধ্বংস ও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমাজের নেতারা। তারা অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সংসদ সদস্যের সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে এলাকার মানুষ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁরা আশাবাদী, প্রশাসনের সক্রিয় পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে এবং কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।

ট্যাগ :
সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান: শিশুদের মানবিকভাবে গড়ুন

নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে এমপির গণশুনানি

প্রকাশিতঃ ০৮:২৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া—৫ (নবীনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগের বিষয়ে নবীনগর উপজেলার চরলাপাং এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে গণশুনানি করেছেন এবং তাঁদের অভিযোগ শুনেছেন।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ‘সামিউল ট্রেডার্স’ নামে একটি ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নাসিরাবাদ মৌজায় ইজারা নিয়েও নির্ধারিত এলাকায় নয়, বরং সাহেবনগর ও চরলাপাং মৌজার কৃষিজমি ও বসতভিটা এলাকার পাশ দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহায়তায় অস্ত্রের মহড়া দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করছে এবং গ্রামবাসীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে তাঁদের আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, নদী ভাঙন বাড়ছে এবং অনেক পরিবার বসতভিটা হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা দ্রুত এ কর্মকাণ্ড বন্ধ করার ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংসদ সদস্য আবদুল মান্নান গণশুনানায় বলেন, নবীনগরে কোনও অবৈধ কর্মকাণ্ডকে মানা হবে না এবং যে কোনও মূল্যে অবৈধ বালুমহাল বন্ধ করতেই হবে। তিনি জানান, যদি ইজারা শর্ত ভঙ্গ করে কৃষিজমি ধ্বংস ও এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে যৌথ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা সমাজের নেতারা। তারা অভিযোগগুলো দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সংসদ সদস্যের সরাসরি উপস্থিতি ও গণশুনানিকে এলাকার মানুষ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। তাঁরা আশাবাদী, প্রশাসনের সক্রিয় পদক্ষেপে চরলাপাং ও আশপাশের এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হবে এবং কৃষিজমি ও বসতভিটা রক্ষা পাবে।